একই আণবিক সংকেতবিশিষ্ট একাধিক যৌগের ধর্ম ভিন্ন হলে তাদেরকে পরস্পরের সমাণু বলে।
বেনজিনকে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন বলা হয় । কারণ বেনজিন যৌগটি হাইড্রোজেন ও কার্বন সমন্বয়ে গঠিত। বেনজিনের ক্ষেত্রে ছয় কার্বন নিয়ে যৌগটি গঠিত এবং এতে দ্বি-বন্ধন থাকে অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে কার্বন-কার্বন একটি একক বন্ধন এবং একটি দ্বিবন্ধন বিদ্যমান যা অ্যারোমেটিক যৌগের বৈশিষ্ট্য। যেহেতু বেনজিন যৌগটি C ও H নিয়ে গঠিত, তাই এটি হাইড্রোকার্বন এবং যৌগটিতে অ্যারোমেটিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান সেহেতু একে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন বলে ।
উদ্দীপকের বিক্রিয়া দুটি পূর্ণ করে পাই,
সুতরাং C যৌগটি পলিভিনাইল বা পিভিসি ক্লোরাইড (PVC)। নিচে যৌগটির প্রস্তুত বর্ণনা করা হলোক্যালসিয়াম কার্বাইড এর মধ্যে ফোঁটায় ফোঁটায় পানি যোগ করলে ইথাইন প্রস্তুত হয়।
ইথাইনের সাথে HCI এর যুত বিক্রিয়ায় প্রথমে ভিনাইল ক্লোরাইড তৈরি হয়।
প্রাপ্ত ভিনাইল ক্লোরাইডকে জৈব পারঅক্সাইড এর উপস্থিতিতে উচ্চ চাপ ও উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC) উৎপন্ন হয়।
উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি পূর্ণ করে পাই,
সুতরাং D হলো , যা একটি ধাতব হাইড্রোক্সাইড। জারণবিজারণের মাধ্যমে ফেরিক হাইড্রোক্সাইড সৃষ্টি হয়। নিচে তা বিক্রিয়াসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
D যৌগ তৈরির জন্য বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন এবং পানির প্রয়োজন হয়।
বায়ুমণ্ডলের পানি কিছুটা বিয়োজিত হয়ে ও তৈরি করে। যেমন-
Fe যে ইলেকট্রন দান করে এবং সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে উৎপন্ন করে। এখানে বিজারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।
এবার এবং এবং বিক্রিয়া করে ও পানি উৎপন্ন করে।
অতঃপর আয়ন এর সাথে বিক্রিয়া করে তৈরি করে।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, জারণ-বিজারণের মাধ্যমে D যৌগ তথা যৌগ সৃষ্টি হয়।
