(i)
(ii)
যে সকল যৌগের কার্যকরী মূলক একই হওয়ায় তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের গভীর মিল থাকে তারা একই শ্রেণিভুক্ত, এদেরকে সমগোত্রীয় শ্রেণি বলে।
বেনজিনকে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন বলা হয়। কারণ বেনজিন যৌগটি হাইড্রোজেন ও কার্বন সমন্বয়ে গঠিত। বেনজিনের ক্ষেত্রে ছয় কার্বন নিয়ে যৌগটি গঠিত এবং এতে দ্বি-বন্ধন থাকে অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে কার্বন-কার্বন একটি একক বন্ধন এবং একটি দ্বিবন্ধন বিদ্যমান যা অ্যারোমেটিক যৌগের বৈশিষ্ট্য। যেহেতু বেনজিন যৌগটি C ও H নিয়ে গঠিত, তাই এটি হাইড্রোকার্বন এবং যৌগটিতে অ্যারোমেটিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান সেহেতু একে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন বলে ।
উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি পূর্ণ করে পাই-
সুতরাং, A যৌগটি ব্লিচিং পাউডার। ব্লিচিং পাউডারের জীবাণু ধ্বংসকরণ পদ্ধতি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
ঘরের মেঝে, কমোড, বেসিন ইত্যাদি জায়গা থেকে জীবাণু ধ্ব্বংস করার কাজে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। ব্লিচিং পাউডারকে যখন কোনো ঘরের মেঝে, কমোড, বেসিন ইত্যাদির উপর রেখে পানি যোগ করা হয় তখন ব্লিচিং পাউডার প্রথমে পানির সাথে বিক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও হাইপোক্লোরাস এসিড ( HOCl ) উৎপন্ন করে। হাইপোক্লোরাস এসিড ভেঙে গিয়ে জায়মান অক্সিজেন [O] ও HCl এসিড উৎপন্ন করে। এ জায়মান অক্সিজেন জীবাণুর প্রোটিনকে জারিত করে। ফলে জীবাণু মারা যায়।
অর্থাৎ, ব্লিচিং পাউডার একটি কার্যকরী জীবাণুনাশক।
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি পূর্ণ করে-
সুতরাং, X হলো মিথেন । থেকে টেট্রাক্লোরোমিথেন প্রস্তুত সম্ভব। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
মিথেন মৃদু সূর্যালোকের (UV) উপস্থিতিতে ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে প্রথমে মিথাইল ক্লোরাইড উৎপন্ন করে। এখানে মূলত প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। মিথাইল ক্লোরাইড হতে পরবর্তীতে একটি হাইড্রোজেন ক্লোরিন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে ডাইক্লোরো মিথেন ও ট্রাইক্লোরোমিথেন বা ক্লোরোফর্ম উৎপন্ন করে। প্রাপ্ত ক্লোরোফরম পুনরায় দ্বারা প্রতিস্থাপন করলে কার্বন টেট্রাক্লোরাইড তৈরি হয়। বিক্রিয়ার প্রতি ধাপে একটি করে হাইড্রোজেন পরমাণু ক্লোরিন পরমাণু দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয় এবং হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস হিসেবে নির্গত হয়।
