(i)
(ii)
পরিমাণগত বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে কোনো পদার্থের বিভিন্ন হিসাবনিকাশ করা হয়। এসব হিসাব-নিকাশকে একত্রে রাসায়নিক গণনা বলে।
কোনো মৌলের সর্বোচ্চ যোজনী ও সক্রিয় যোজনীর পার্থক্যকে সুপ্ত যোজনী বলে।
যৌগে S এর সক্রিয় যোজনী 2 কিন্তু S এর সর্রোচ্চ যোজনী 6। সুতরাং যৌগে S এর সুপ্ত যোজনী
উদ্দীপকের (i) নং রাসায়নিক সমীকরণটি সম্পূর্ণ করি-
উপরোক্ত বিক্রিয়াটি একটি উভমুখী বিক্রিয়া, যেখানে এস্টার এর আর্দ্র বিশ্লেষণে ইথানল ও ইথানয়িক এসিড উৎপন্ন হয়। বিক্রিয়াটিকে একমুখী করার উপায় নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
১. বিক্রিয়ার উৎপাদ এবং এর মধ্যে যেকোনো একটিকে বিক্রিয়াম্পল থেকে অপসারণ করলে বিক্রিয়াটি একমুখী হবে।
২. বিক্রিয়ায় উৎপন্ন এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে এমন ক্ষার যেমন NaOH যোগ করে বিক্রিয়াটিকে একমুখী করা সম্ভব। এতে করে এসিড লবণে রূপান্তরিত হবে ফলে বিপরীতমুখী বিক্রিয়া সংঘটিত হবে না।
৩. বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পানি অপসারণ করে নিলে বিক্রিয়াটি একমুখী হবে।
উদ্দীপকের (ii) নং এর যৌগসমূহ যথাক্রমে ইথেন , ইথিন এবং ইথাইন । এদের মধ্যে ইথেন সবচেয়ে কম সক্রিয় কিন্তু ইথিন সর্বাধিক সক্রিয়। অর্থাৎ এদের সক্রিয়তার ক্রম । যৌগগুলোর এ সক্রিয়তার ক্রম রাসায়নিক বিক্রিয়াসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
অ্যালকেন সমগোত্রক যৌগে শুধু C-C এবং C-H শক্তিশালী সিগমা বন্ধন থাকায় এটি রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়। এ কারণে যৌগটি সংযোজন বিক্রিয়া দেয় না, তবে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া দেয়। যেমন,
বিক্রিয়া :
ইথিন যৌগে একটি পাই বন্ধন থাকায় এটি ইথেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয়। ফলে এটি সংযোজন বিক্রিয়া দেয়।
বিক্রিয়া :
ইথাইন যৌগে দুইটি পাই বন্ধন থাকায় এটি ইথেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় কিন্তু ইথিন অপেক্ষা কম সক্রিয়। ফলে এর সংযোজন বিক্রিয়ার মাত্রা তুলনামূলক অপেক্ষা বেশি।
বিক্রিয়া :
