(i)
(ii)
ফরমালডিহাইড (HCHO) এর 40% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
ন্যাপথালিনকে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন বলে। এর গাঠনিক সংকেত হতে পাই-
জানা আছে, অ্যারোমেটিক যৌগের বৈশিষ্ট্য:
১. এরা সাধারণত 5, 6 কিংবা 7 সদস্যের সমতলীয় যৌগ।
২. এতে একান্তর দ্বিবন্ধন থাকে অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে কার্বন-কার্বন একটি একক বন্ধন এবং তারপর একটি দ্বিবন্ধন থাকে।
ন্যাপথালিন হলো 10 কার্বনবিশিষ্ট সমতলীয় চাক্রিক যৌগ। এতে ১টি একান্তর দ্বিবন্ধন বিদ্যমান। ন্যাপথালিন যৌগটি কার্বন ও হাইড্রোজেন সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় এটি হাইড্রোকার্বন এবং অ্যারোমেটিক যৌগ হওয়ায় ন্যাপথালিন একটি অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।
উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি-
(B)
যৌগটি প্রোপিন । যৌগটি একটি অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন নিচে তা প্রমাণ করা হলো-
বেয়ার পরীক্ষা : যৌগটি লঘু জলীয় পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্বারা জারিত হয়ে প্রোপিলিন গ্লাইকল উৎপন্ন করে। এ বিক্রিয়ায় লঘু জলীয় পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট এর গোলাপি বেগুনি বর্ণ বিনষ্ট হয়, যা দ্বারা দ্রবণের অসম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়।
ব্রোমিন দ্রবণ পরীক্ষা : যৌগটি কমলা-লাল বর্ণের ব্রোমিন পানির সাথে বিক্রিয়া করে 1,2 ডাইব্রোমো প্রোপেন উৎপন্ন করে। বিক্রিয়ার ফলে ব্রোমিনের বর্ণ বিনষ্ট হয়। এ বিক্রিয়ার মাধ্যমে যৌগটির অসম্প্যক্ততা প্রমাণিত হয় ।
বিক্রিয়া:
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি-
(A)
যৌগটি সোডিয়াম ইথানোয়েট ।
সুতরাং, B যৌগটি সোডিয়াম ইথানোয়েট । থেকে উৎপন্ন যৌগ H - CHO (মিথান্যাল) [যা মৃত প্রাণিদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় ] এর প্রস্তুতি নিচে রাসায়নিক সমীকরণসহ মূল্যায়ন করা হলো-
সোডিয়াম ইথানয়েট থেকে. ফরমালিন প্রস্তুতি : প্রথমে সোডিয়াম ইথানোয়েট ( ) কে সোডালাইমসহ উত্তপ্ত করলে মিথেন ( ) তৈরি হয়।
উৎপন্ন মিথেন () মৃদু সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ব্রোমিনের/ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে মিথাইল ব্রোমাইড/ মিথাইল ক্লোরাইড উৎপন্ন করে।
উৎপন্ন মিথাইল ব্রোমাইড সোডিয়াম হাইড্রক্সাইডের জলীয় দ্রবণের সাথে বিক্রিয়া করে মিথানল উৎপন্ন করে।
উৎপন্ন মিথানলকে গাঢ় এর উপস্থিতিতে শক্তিশালী জারক ও দ্বারা জারিত করলে মিথান্যাল পাওয়া যায়।
প্রাপ্ত H CHO (মিথান্যাল) এর 40% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে, যা মৃত প্রাণিদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
