A. Nayan
A. Nayan
29 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘প্রকান্ড একটা ধাউস…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৬ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ১১তম অধ্যায় : আম আঁটির ভেঁপু - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল: ২০১৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রকান্ড একটা ধাউস ঘুড়ি লইয়া বোঁ বোঁ শব্দে উড়াইয়া বেড়াইবার সেই ঘাঠ, তাইরে নাইরে না করিয়া উচ্চৈঃস্বরে স্বরচিত রাগিণী আলাপ করিয়া অকর্মণ্যভাবে ঘুরিয়া বেড়াইবার সেই নদী তীর। দিনের মধ্যে যখন তখন ঝাঁপ দিয়া পড়িয়া সাঁতার কাটিবার সেই সংকীর্ণ স্রোতস্বিনী, চিত্তকে চণ্ডাল করিত। 

উত্তর:

হরিহর কাজ সেরে দুপুরের কিছু পর বাড়ি ফিরল।

উত্তর:

দিদির কথায় নুন ও তেল আনতে অপু দ্বিধা করছিল মায়ের ভয়ে।

দুর্গা কিছু আমের কুসি এনে কাটে। কাটা আমগুলো জারানোর জন্য দুর্গা অপুকে তেল-নুন আনতে বলে। আম দেখে অপু খুশি হলেও মায়ের বকুনির ভয়ে সে নুন ও তেল আনতে দ্বিধা করে। এমনকি সংস্কারের কথাও উল্লেখ করে সে বলে যে, বাসি কাপড়ে তেলের ভাঁড় ছুঁলে মা তাকে মারবে। অবশেষে দুর্গাকে দরজায় পাহারায় রেখে সে তেল-নুন আনতে যায়।

উত্তর:

উদ্দীপকে পঠিত গল্পের অপু ও দুর্গার চঞ্চলতা ও দুরন্তপনার দিকের ইঙ্গিত লক্ষণীয়।

শৈশব হলো জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এ সময় কোনো বাধা থাকে না, থাকে না কোনো নিষেধের ঘোর বা প্রভাব। মানুষের জীবনে শৈশবের দিনগুলো কাটে প্রচুর হাসি আর আনন্দে। ঘুড়ি ওড়ানো, আম কুড়ানো, নদীতে সাঁতার কাটা, আর সারাদিন নানা রকম খেলায় মেতে থাকা—এসবই শৈশবের বৈশিষ্ট্য।

'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের অপু-দুর্গার জীবন ছিল প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। দুরন্ত স্বভাবের দুর্গা এক মুহূর্তও ঘরে থাকত না। প্রকৃতির সঙ্গে তার ছিল নিবিড় সখ্য। মায়ের শাসন উপেক্ষা করে সে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াত। সে আম কুড়াত, নাটা ও রড়া ফল সংগ্রহ করত। তার সঙ্গী ছিল একমাত্র ছোট ভাই অপু।উদ্দীপকেও এমন প্রাণচঞ্চলতার কথাই বলা হয়েছে। খোলা মাঠে উচ্চ স্বরে গান গাওয়া, নদী তীরে ঘুরে বেড়ানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি—এই চিত্তের চঞ্চলতা অপু-দুর্গার দুরন্তপনাকেই মনে করিয়ে দেয়।এভাবে তুলনা করলে দেখা যায়—উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের অপু-দুর্গার দুরন্তপনাকেই ইঙ্গিত করে।

উত্তর:

"উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সমগ্রতা স্পর্শ করেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

শৈশবের সুখস্মৃতি মানুষকে সারাজীবন অনুভবতাড়িত করে। শৈশব মানুষের জীবনে এমন একটা সময় যখন কোনো বিধিনিষেধ শিশুকে ঘরে আটকে রাখতে পারে না। এ সময় শিশুরা দুরন্তপনায় মেতে ওঠে। তারা স্বাধীনভাবে মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করে।

'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে গ্রামীণ জীবনে প্রকৃতি-ঘনিষ্ঠ দুই ভাইবোনের আনন্দিত জীবনের দিক ফুটে উঠেছে। গল্পের দরিদ্র জীবন-যন্ত্রণার মধ্যেও অপু ও দুর্গার দূরন্তপনার বিষয়টি প্রধান হয়ে উঠেছে। অপু ও দুর্গার শিশুমনের বিস্ময় ও কৌতূহল গল্পটিকে মানুষের চিরায়ত শৈশবকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। উদ্দীপকেও শৈশবের চিরায়ত দুরন্তপনার বিষয় লক্ষ করা যায়। খোলা মাঠে ঘুড়ি উড়ানো, অলসভাবে ঘুরে বেড়ানো, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতার কাটা যা শিশু হৃদয়কে চঞ্চল করত। এই চঞ্চল হৃদয়ের প্রকাশ ঘটেছে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের দুর্গার মধ্যে।

উদ্দীপকে যে শিশু-কিশোর হৃদয়ের চঞ্চলতার কথা বলা হয়েছে গল্পে সবকিছু ছাপিয়ে সেই চঞ্চলতাই ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সমগ্রতা স্পর্শ করেছে।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘প্রকান্ড একটা ধাউস…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৬ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”