A. Nayan
A. Nayan
29 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ভয় নেই ঘৃণা…’ যশোর বোর্ড ২০২২ – আম আঁটির ভেঁপু, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ১১তম অধ্যায় : আম আঁটির ভেঁপু - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: যশোর বোর্ড📅 সাল: ২০২২⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ভয় নেই ঘৃণা নেই ওর দেহটাতে

কোলাব্যাঙ তুলে ধরে খপ করে

বাগানে আছে খোঁটা পোঁতার এক গর্ত

তার মধ্যে সেটা পোষে-

পোকা-মাকড় দেয় খেতে।

গুবরে পোকা কাগজের বাক্সোয় এনে রাখে

খেতে দেয় গোবরের গুটি

কেউ ফেলে দিতে গেলে অনর্থ বাঁধে

ইস্কুলে যায় পকেটে নিয়ে কাঠবিড়ালী 

উত্তর:

হরিহর রায়ের জ্ঞাতি ভ্রাতার নাম নীলমণি রায়।

উত্তর:

"আজকাল চাষাদের ঘরে লক্ষ্মী বাঁধা" বলতে বোঝানো হয়েছে-চাষারা নিয়মিত জমিতে ফসল ফলায়, ফলে তাদের অন্নাভাব হয় না।

চাষা মানেই চাষ করার সঙ্গে যার নিবিড় সম্পর্ক। আর চাষ করা মানেই ফসলের উৎপাদন। যারা ফসল উৎপাদন করে, তাদের থাকে গোলাভর্তি ধান, সে ধান তারা সারা বছর খায়। তাদের ঘরে খাবারের বিশেষ অভাব হয় না। অন্নের দেবী হিসেবে লক্ষ্মীকে গণ্য করা হয়। প্রশ্নোক্ত লাইনে চাষাদের ঘরে লক্ষ্মী বাঁধা বলতে খাবারের মজুদকেই বোঝানো হয়েছে। 

উত্তর:

উদ্দীপকের ছেলেটার সঙ্গে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের দুর্গা চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।

শিশুরা স্বাধীন, মুক্তমনের অধিকারী। কোনো বিধি-নিষেধ শিশুদের দুরন্তপনা বন্ধ করতে পারে না। কারণ তারা স্বভাবতই হাসি-আনন্দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে। পারিবারিক জীবনের সমস্যা-সংকট, অভাব-অনটন শিশুর শৈশবের মুক্ত জীবনের পথে অন্তরায় হতে পারে না।

উদ্দীপকে এক শিশুর দুরন্তপনার পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। সে নিজের খেয়াল-খুশিমতো চলে, তার যখন যা করতে ইচ্ছে করে তখন তাই করে। তার কোনো ভয় নেই, সে কারও কোনো নিষেধ মানে না। এমন খেয়ালি' জীবনের সঙ্গে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের দুর্গার দুরন্তপনার মিল পাওয়া যায়। দুর্গাও শিজের খেয়াল-খুশিমতো চলে। মায়ের নিষেধ সত্ত্বেও সারা গ্রামে বনে-বাদাড়ে ছুটে বেড়ায়। আম কুড়ায়, নাটা ও রড়া ফল সংগ্রহ করে। মায়ের বকুনি শোনে, সহ্য করে, আবার ছুটে পালিয়ে যায়, ছোট ভাই অপুর সঙ্গে খুনসুটি করে। প্রকৃতির কোলেই যেন তার পরম শান্তি। তাই অভাব-অনটনের যন্ত্রণা তাকে ঘরে আটকে রাখতে পারে না। এভাবে উদ্দীপকের ছেলেটার সঙ্গে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের দুর্গার চরিত্রের সাদৃশ্য বিদ্যমান।

উত্তর:

'উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষবস্তু শিশু-কিশোর মনের আনন্দেরই যহিঃপ্রকাশ।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষের জীবনের শৈশবকাল অত্যন্ত আনন্দের সময়। এ সময় শিশুরা মুক্ত-স্বাধীন জীবনযাপন করে। তাদের প্রতি বড়দের বাধা-নিষেধ অপেক্ষা মায়া-মমতাই বেশি কাজ করে। ফলে তারা দুরন্তপনায় মেতে উঠে স্বাধীন জীবনের স্বাদ গ্রহণ করে।

'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে গ্রামীণ জীবনে প্রকৃতিঘনিষ্ঠ দুই ভাই-বোনের আনন্দময় জীবনের দুরন্তপনার দিকটি ফুটে উঠেছে। এ গল্পে সর্বজয়া ও হরিহরের সংসারের অভাব-অনটন ও জীবন-যন্ত্রণার বিষয় থাকলেও তাদের ছেলে-মেয়ে অপু ও দুর্গার প্রকৃতির কোলে হেসে-খেলে বেড়ানোর দিকটিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। গল্পের দুরন্ত শিশু অপু ও দুর্গার হাসি-আনন্দের জীবনধারার সঙ্গে উদ্দীপকে বর্ণিত ছেলেটির জীবনধারা একসূত্রে গাঁথা। এই ছেলেটিও মনের আনন্দে যা খুশি তাই করে। সে কোলা ব্যাঙ, গুবরে পোকা ধরে এনে পোষে, তাদের থাকার ও খাদ্যের ব্যবস্থা করে।

'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে হরিহর-সর্বজয়ার সংসারের দারিদ্র্যের চিত্র আঁকতে গিয়ে লেখক মূলত প্রকৃতির মাঝে বেড়ে ওঠা শিশুর শৈশবের ছবি এঁকেছেন। শৈশবের আনন্দের মাঝে দারিদ্র্যের কষ্ট অপু-দুর্গার জীবনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তারা সারা দিন মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ায়। কুড়িয়ে আনা বিভিন্ন ফল অপু ও দুর্গা মিলেমিশে ভাগ করে খায়। ছোট অপু তার টিনের বাক্সের ভেতরে রং ওঠা কাঠের ঘোড়া, টোল খাওয়া টিনের ভেঁপু বাঁশি, কড়ি, পিস্তল, শুকনো নাটা ফল প্রভৃতি রাখে। অপুর এই আনন্দের সঙ্গে উদ্দীপকের ছেলেটির আনন্দ একসূত্রে গাঁথা। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। 

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ভয় নেই ঘৃণা…’ যশোর বোর্ড ২০২২ – আম আঁটির ভেঁপু, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”