A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আম বাগানে আমের…’ কুমিল্লা জিলা স্কুল ২০২৬ – জীবের পরিবেশ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১২তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ১৭🏢 প্রতিষ্ঠান: কুমিল্লা জিলা স্কুল📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

আম বাগানে আমের ফলন দেখতে গিয়ে আনিস সাহেব লক্ষ করলেন একটি আমগাছের কাণ্ডে একটি পরজীবী ছত্রাক ও একটি স্বভোজী শৈবাল সহাবস্থান করে উপকৃত হচ্ছে। তিনি আরও লক্ষ্য করলেন আমগাছের নিচে জন্ম নেওয়া কিছু চারা বড়ো ও সবল আর কিছু চারা দুর্বল ও ছোটো হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও আম বাগানে ঘাসের উপর ঘাস ফড়িং, ব্যাঙ, সাপ ইত্যাদি প্রাণীও চলাচল করতে দেখলেন। 

উত্তর:

যখন খাদ্যশক্তি উৎপাদক থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের খাদকে প্রবাহিত হয়, তখন সেই প্রবাহকে একসাথে খাদ্য শিকল বলা হয়। 

উত্তর:

বাস্তুতন্ত্রে বিয়োজক হলো ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি অতিক্ষুদ্র জীব বা অণুজীব। বাস্তুতন্ত্রে বিয়োজক উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ ও মৃত দেহ থেকে খাদ্যগ্রহণ করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহকে বিয়োজিত করে জৈব ও অজৈব পদার্থে পরিণত করে। এ কারণে বিয়োজক প্রাণীগুলো গুরুত্বপূর্ণ। 

উত্তর:

আনিস সাহেবের দেখা ঘাস ও ঘাসের উপর অবস্থান করা প্রাণীগুলো অর্থাৎ ঘাস ফড়িং, ব্যাঙ ও সাপ এর শক্তির প্রবাহ যেরূপ হবে তা নিচে বর্ণনা করা হলো-
উদ্দীপকে উল্লেখিত জীবগুলো দ্বারা একটি খাদ্যশিকল তৈরি হবে যা
নিম্নরূপ :
ঘাস → ঘাস ফড়িং → ব্যাঙ সাপ।
যখন কোনো খাদ্যশক্তি উৎপাদক থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের খাদকদের মধ্যে প্রবাহিত হয়, তখন সেই প্রবাহকে একসাথে খাদ্যশিকল বলে। এ খাদ্যশিকলে উৎপাদক হিসেবে রয়েছে সবুজ উদ্ভিদ (ঘাস)। সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোক হতে শক্তি নিয়ে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড সহযোগে খাদ্য উৎপাদন করে নিজের জন্য সঞ্চিত করে রাখে। এই সবুজ উদ্ভিদকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে ঘাস ফড়িং। ব্যাঙ ঐ ঘাস ফড়িংকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। যেহেতু ব্যাঙ দ্বিতীয় স্তরের খাদক এবং ব্যাঙকে সাপ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাই সাপ তৃতীয় স্তরের খাদক। এখানে খাদ্যশক্তি ক্রমান্বয়ে উৎপাদক হতে সর্বোচ্চ খাদকের দিকে প্রবাহিত হবে। 

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত আম গাছের কাণ্ডে অবস্থানকারী জীব অর্থাৎ ছত্রাক ও শৈবাল এর সাথে গাছের নিচে জন্ম নেওয়া উদ্ভিদের আন্তঃক্রিয়া যেভাবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে তা নিচে উপস্থাপন করা হলো-
একটি শৈবাল ও একটি ছত্রাক সহাবস্থান করে লাইকেন গঠন করে। ছত্রাক বায়ু থেকে জলীয়বাষ্প সংগ্রহ এবং উভয়ের ব্যবহারের জন্য খনিজ লবণ সংগ্রহ করে। অপরদিকে, শৈবাল তার ক্লোরোফিলের মাধ্যমে নিজের জন্য ও ছত্রাকের জন্য শর্করাজাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। এভাবে এরা পরস্পর থেকে উপকৃত হয়। এরূপ আন্তঃসম্পর্ককে বলা হয় মিউচুয়ালিজম। 

আবার আমগাছের নিচে জন্ম নেয়া কিছু চারা বড়ো ও সবল আর কিছু চারা দুর্বল ও ছোটো হয়ে শুকিয়ে যাওয়া হলো প্রতিযোগিতা। এটি একটি ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়া। এ প্রতিযোগিতায় সুবিধাজনক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবসমূহ টিকে থাকে এবং অন্যরা বিতাড়িত হয়ে থাকে। এরকম আন্তঃসম্পর্কের ভিত্তিতে পরিবেশের জীবসমূহ একে অপরের দ্বারা উপকৃত হচ্ছে। তাছাড়া পরিবেশে প্রচুর O2 নির্গত হচ্ছে। এতে পরিবেশের O2 ও CO2 এর ভারসাম্য রক্ষা হচ্ছে। আর এভাবেই বনের ভিতরের উদ্ভিদগুলোর মধ্যে মিথস্ক্রিয়ার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হচ্ছে।
আবার কোনো জীব অন্য জীবের কোনো ক্ষতি না করে শুধু একাই সুবিধা লাভ করছে। আর এভাবেই জীবসমূহ টিকে থাকছে আর যারা প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে পারছে না তারা সংখ্যায় কমে গিয়ে পেিবশের ভারসাম্য বজায় রাখছে। 

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আম বাগানে আমের…’ কুমিল্লা জিলা স্কুল ২০২৬ – জীবের পরিবেশ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”