দৃশ্যকল্প-১: একটি সমতল দর্পণের সামনে 20 সে.মি. উচ্চতার একটি বস্তু রাখা হলো।
দৃশ্যকল্প-২:
গোলীয় দর্পণের মেরু বিন্দু থেকে প্রধান ফোকাস পর্যন্ত দূরত্বকে ফোকাস দূরত্ব বলে।
গোলীয় দর্পণের মেরু বিন্দু ও বক্রতার কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রমকারী কাল্পনিক সরলরেখাকে দর্পণের প্রধান অক্ষ বলা হয়। আবার, মেরু বিন্দু ব্যতীত অন্য বিন্দু ও বক্রতার কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রমকারী সরলরেখাকে দর্পণের গৌণ অক্ষ বলা হয়।
গোলীয় দর্পণের গৌণ অক্ষ অসংখ্য হলেও প্রধান অক্ষ একটি হয়। কারণ মেরু বিন্দু ও বক্রতার কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে কেবল 1টি সরলরেখা টানা যায় যার উপর দর্পণের প্রধান ফোকাস থাকে। অর্থাৎ গোলীয় দর্পণের 1টি মেরুবিন্দু ও 1টি বক্রতার কেন্দ্র থাকায় প্রধান অক্ষ একটি হয়।
আমরা জানি,
সমতল দর্পণে স্থাপিত কোনো লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব বা দৈর্ঘ্যের প্রতিবিম্বের দূরত্ব বা দৈর্ঘ্যের সমান হয়।
যেহেতু উদ্দীপকের দর্পণের সামনে 20cm উচ্চতার বা দৈর্ঘ্যের বস্তু রাখা আছে। তাই বস্তুর প্রতিবিম্বের উচ্চতাও 20cm হবে।
যদৃশ্যকল্প-২ এ M হচ্ছে একটি অবতল দর্পণ। পর্দায় ফেলা যায় না এমন বিম্ব হচ্ছে অবাস্তব বিম্ব। অবতল দর্পণে অবস্থিত বিম্ব গঠন করতে হলে লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান হতে হবে ফোকাস ও মেরুর মাঝে। নিচে রশ্মিচিত্রের সাহায্যে বিশ্লেষণ করা হলো:
থেকে প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একটি আলোকরশ্মি প্রতিফলনের পর প্রধান ফোকাস দিয়ে যায় এবং থেকে বক্রতার ব্যাসার্ধ বরাবর অপর একটি আলোকরশ্মি দর্পণে লম্বভাবে আপতিত হয়ে একই পথে প্রতিফলিত হয়। এ রশ্মি দুটিকে পেছনে বর্ধিত করলে এরা বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। অর্থাৎ হবে বিন্দুর অবাস্তব প্রতিবিম্ব। সুতরাং থেকে প্রধান অক্ষের উপর অঙ্কিত লম্ব হবে লক্ষ্যবস্তুর অবাস্তব প্রতিবিম্ব।
চিত্রানুযায়ী দেখা যায়,
প্রতিবিম্বের অবস্থান: দর্পণের পিছনে অর্থাৎ লক্ষ্যবস্তু দপর্ণের যে পাশে অবস্থিত তার বিপরীত পাশে।
প্রকৃতি: অবাস্তব ও সোজা।
আকৃতি: বিবর্ধিত।
