AO বস্তুটির অবস্থান C ও F এর মধ্যবিন্দুতে।
প্রধান অক্ষের নিকটবর্তী সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ কোনো গোলীয় দর্পণে আপত্রিত হয়ে প্রতিফলনের পর প্রধান অক্ষের উপর যে বিন্দুতে মিলিত হয় (অবতল দর্পণে) বা যে বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় (উত্তল দর্পণে) তাকে ঐ দর্পণের প্রধান ফোকাস বলে।
আলোর প্রতিফলন ও শোষণের কারণে আমরা রঙিন বস্তু রঙিন দেখি। কোনো বস্তু তার উপর আপতিত আলোক রশ্মিগুলোর মধ্যে নিজের রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় এবং নিজের রং প্রতিফলিত করে। এ প্রতিফলিত রশ্মি চোখের রেটিনার কোন কোষ দ্বারা মস্তিষ্কে রঙিন বস্তু দেখার অনুভূতি জাগায়। এখন, লাল আলোতে গাছের সবুজ পাতা দেখলে পাতাটি সবুজ আলো শোষণ করে নিবে। ফলে কোনো রং প্রতিফলিত না হওয়ায় পাতাটি কালো দেখাবে।
এখানে, ফোকাস দূরত্ব,
লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব,
বিম্বের দূরত্ব, ?
আমরা জানি,
বা,
বা,
আবার, রৈখিক বিবর্ধন, অতএব, চিত্র হতে রৈখিক বিবর্ধনের মান 2.
উদ্দীপকের তথ্যমতে, দর্পণের ফোকাস দূরত্ব, AO লক্ষ্যবস্তুটিকে দর্পণের দিকে 30 cm সরালে দর্পণ হতে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব
অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুটি দর্পণের মেরু ও প্রধান ফোকাসের মাঝে অবস্থান করবে। এক্ষেত্রে বিম্বের প্রকৃতি রশ্মিচিত্রের সাহায্যে নিচে ব্যাখ্যা করা হলো :
মনে করি, MPM' একটি অবতল দর্পণ।P এর মেরু, F প্রধান ফোকাস এবং C বক্রতার কেন্দ্র। প্রধান অক্ষের উপর প্রধান ফোকাস এবং মেরুর মাঝে OA একটি লক্ষ্যবস্তু লম্বভাবে অবস্থান করে। O থেকে একটি রশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এসে প্রধান ফোকাস দিয়ে যায় এবং অপর একটি রশ্মি বক্রতার ব্যাসার্ধ তথা কেন্দ্র বরাবর আপতিত হয়ে একই পথে প্রতিফলিত হয়। রশ্মি দুটিকে পিছনের দিকে বর্ধিত করলে এরা দর্পণের পিছনে বিন্দুতে মিলিত হয় বা বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। A থেকে একটি রশ্মি প্রধান অক্ষ বরাবর আপতিত হয়ে একই সাথে ফিরে আসে। হতে প্রধান অক্ষের উপর লম্ব অঙ্কন করা হলো। তাহলে -ই হবে OA লক্ষ্যবস্তুর প্রতিবিম্ব।
বিম্বের অবস্থান : দর্পণের পিছনে
বিম্বের প্রকৃতি : অবাস্তব ও সোজা
বিম্বের আকার : বিবর্ধিত
সুতরাং, AO লক্ষ্যবস্তুটিকে দর্পণের দিকে 30 cm সরালে অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব গঠিত হবে।
