A মৌলের তিনটি আইসোটোপের ক্ষেত্রে-
(i)
(ii)
যে সকল আইসোটোপের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে (নিজে নিজেই) ভেঙে আলফা রশ্মি, বিটা রশ্মি, গামা রশ্মি ইত্যাদি নির্গত করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
জানা আছে, ধাতুর ক্ষেত্রে কোনো পরমাণুর যোজ্যতা স্তরের মোট ইলেকট্রন সংখ্যাকে তার যোজনী বলে।
এর ইলেকট্রন বিন্যাস :
দেখা যাচ্ছে, এর যোজ্যতা স্তরে 2টি ইলেকট্রন রয়েছে। আবার এটি একটি ধাতু।
সুতরাং, -এর যোজনী 2।
(i) নং উদ্দীপকের ক্ষেত্রে দেওয়া আছে,
জানা আছে, কোনো মৌলের গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর
A মৌলের গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর
সুতরাং (i) নং উদ্দীপক হতে মৌলের গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর ।
দেওয়া আছে, (ii) নং উপস্তরগুলোর শক্তির ক্রম:
প্রদত্ত শক্তির ক্রম ইলেকট্রন বিন্যাসের নীতির প্রতিফলন। নিচে তা মূল্যায়ন করা হলো-
ইলেকট্রন বিন্যাসের আউফবাউ নীতি অনুসারে, ইলেকট্রন সর্বপ্রথম সর্বনিম্ন শক্তিস্তরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে নিম্ন শক্তিস্তর থেকে উচ্চ শক্তিস্তরে প্রবেশ করে। এ নীতির আলোকে ও অরবিটালের শক্তির মান,
অরবিটালের জন্য :
অরবিটালের জন্য:
অরবিটালের জন্য:
অরবিটালের জন্য :
দেখা যাচ্ছে, ও অরবিটাল এবং ও অরবিটালের শক্তি সমান। ইলেকট্রন বিন্যাসের নীতি অনুসারে, যদি দুটি ভিন্ন অরবিটালের শক্তি সমান হয় তবে যে অরবিটালের প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা এর মান কম সে অরবিটাল নিম্ন শক্তিযুক্ত এবং ইলেকট্রন সেখানে আগে প্রবেশ করবে। এজন্য ও এর মধ্যে নিম্ন শক্তিযুক্ত । আবার ও অরবিটালের মধ্যে নিম্ন শক্তিযুক্ত
সর্বোপরি নিম্ন শক্তিস্তর এবং উচ্চ শক্তিস্তর তাহলে প্রদত্ত শক্তিস্তরগুলোর শক্তির ক্রম:
।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের উপস্তরগুলোর শক্তির ক্রম পরমাণুতে ইলেকট্রন বিন্যাসের নীতির প্রতিফলন।
