কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলা হয়।
প্রোপিনকে অলিফিন বলা হয়। কারণ প্রোপিন নিম্নতর সদস্যবিশিষ্ট অ্যালকিন, যা হ্যালোজেনের সাথে বিক্রিয়ায় তৈলাক্ত পদার্থ উৎপন্ন করে। এজন্য প্রোপিনকে অলিফিন (Olifin, Greek; olefiant - Oil forming) বলে।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, হলো হাইড্রোজেন ।
কেননা এর পারমাণবিক সংখ্যা । হাইড্রোজেন একটি অধাতু। কিন্তু পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেনকে তীব্র তড়িৎ ধনাত্মক ক্ষার ধাতুর সাথে গ্রুপ- এ স্থান দেওয়া হয়েছে। গ্রুপ- এ মৌলটির অবস্থানের কারণ-
১. যোজ্যতা ইলেকট্রন: ক্ষার ধাতুসমূহ যেমন ইত্যাদির ন্যায় হাইড্রোজেনেরও একটি মাত্র যোজ্যতা ইলেকট্রন আছে।
২. তড়িৎ ধনাত্মকতা : ক্ষার ধাতুর ন্যায় H মৌলটি তড়িৎ ধনাত্মক, ফলে সহজেই ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন গঠন করতে পারে। যেমন : ।
৩. ধাতুর মত হ্যালাইড গঠন : ক্ষার ধাতুর ন্যায় হাইড্রোজেনও ঋণাত্মক হ্যালোজেনের সাথে হ্যালাইড গঠন করে। যেমন : ।
৪. বিজারণ ধর্ম : ক্ষার ধাতু বা যে কোনো ধাতুর মত হাইড্রোজেনও একটি শক্তিশালী বিজারক। যেমন-
ধাতু দ্বারা এর বিজারণ :
দ্বারা এর বিজারণ :
উপরের আলোচনা থেকে এটি স্পষ্ট যে, পর্যায় সারণির গ্রুপ-1 এ হাইড্রোজেনের অবস্থান যুক্তিসঙ্গত ।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, ও মৌলদ্বয় যথাক্রমে ও । মৌলটি ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করলেও মৌলটি ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করে না। নিচে উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো-
সাধারণ নিয়ম অনুসারে "পরমাণুতে ইলেকট্রন অরবিটালসমূহের শক্তির ক্রমানুসারে কম থেকে বেশি শক্তিসম্পন্ন অরবিটালে প্রবেশ করে।"
এ নিয়ম অনুসারে এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
দেখা যাচ্ছে, স্বাভাবিক নিয়ম অনুসারে অরবিটাল ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ করে অরবিটালে ইলেকট্রন প্রবেশ করেছে। কিন্তু এর সাধারণ নিয়ম অনুসারে ইলেকট্রন বিন্যাস-
কিন্তু গবেষণায় দেখা যায় যে, সমশক্তি সম্পন্ন অরবিটালসমূহ অর্ধপূর্ণ বা পরিপূর্ণ হলে সে ইলেকট্রন বিন্যাস সুস্থিতি অর্জন করে। অর্থাৎ .
বিন্যাস অধিক স্থায়ী হয়। এ কারণে এর ইলেকট্রন বিন্যাস ব্যতিক্রম নিয়মে হয়।
ফলে এর অধিক সুস্থিত ইলেকট্রন বিন্যাস দাঁড়ায়-
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুস্থিতির জন্য এর ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়ম অনুসরণ না করলেও এর ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করে।
