
যে সকল পরমাণু বা পরমাণুগুচ্ছ জৈব যৌগে উপস্থিত থেকে ঐ যৌগের বিক্রিয়া বা ধর্ম নির্দেশ করে, তাকে কার্যকরী মূলক বলে।
অরবিট ও অরবিটালের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ :

দেওয়া আছে,
কক্ষপথের সংখ্যা,
n=1
প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক,
h=6.626×10−34Js
π=3.1416
ইলেকট্রনের ভর,
m=9.11×10−31 kg
r1=5.3×10−11 m
ইলেকট্রনের বেগ,
v=
?
ইলেকট্রনের কৌণিক বেগ,
ω=
?
আমরা জানি,
কৌণিক ভরবেগ,
mvr=nh2π
v=nh2πmr
=1×6.626×10−342×3.1416×9.11×10−31×5.3×10−11
∴v=2.18×106 ms−1
∴ω=vr1
=2.18×1065.3×10−11
∴ω=4.12×1016rad s−1
সুতরাং,
n=1
হলে ১ম কক্ষপথে আবর্তনশীল একটি ইলেকট্রনের কৌণিক বেগ হবে
4.12×1016rads−1
।
উদ্দীপকের পরমাণু মডেলটি হলো বোর পরমাণু মডেল। নিচে বোর মডেলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলো-
১. বোরের তত্ত্ব অনুযায়ী পরমাণুর স্থায়িত্ব ব্যাখ্যা করা যায়। এই তত্ত্ব অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট স্থির কক্ষপথে আবর্তন করার সময় কোনো ইলেকট্রন কর্তৃক শক্তি নির্গত বা শোষিত হয় না। আবার ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে অবিরত ঘূর্ণায়মান হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের উপর পতিত হয় না কেন- তার ব্যাখ্যাও এই তত্ত্বের সাহায্যে দেওয়া যায়।
২. এক ইলেকট্রনবিশিষ্ট পরমাণু H বা আয়ন যেমন
He+,Li2+,Be3+
-এর বর্ণালি ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভবপর হয়।
৩. বোরের তত্ত্ব প্রয়োগ করে সুস্থিত কক্ষপথের ব্যাসার্ধ গণনা করা যায়। হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রথম কক্ষপথের ব্যাসার্ধের গণনালব্ধ মান এবং পরীক্ষালব্ধ মান এক হয়।
8. এ মতবাদ থেকে প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যার (n) ধারণা পাওয়া যায়, যার সাহায্যে পরবর্তীকালে অন্যান্য কোয়ান্টাম সংখ্যা সম্বন্ধেও ধারণা লাভ করা হয়।
৫. এ তত্ত্বের স্বীকার্য অনুযায়ী, উচ্চ শক্তিসম্পন্ন স্থায়ী কক্ষ থেকে নিম্ন শক্তিসম্পন্ন স্থায়ী কক্ষে ইলেকট্রনের আগমনের ফলে শক্তির নির্গমন ঘটে। দুটি স্থায়ী কক্ষপথের শক্তির পার্থক্য নির্দিষ্ট। তাই নির্গত শক্তির কম্পাঙ্ক (υ) নির্দিষ্ট এবং এর ফলেই পরমাণুর রেখা বর্ণালির সৃষ্টি হয়। তাই বোরের তত্ত্বের দ্বারা রেখা বর্ণালির উৎপত্তি ব্যাখ্যা করা যায়।
