পর্যায় সারণির গ্রুপ-3 হতে 12নং গ্রুপের মৌলসমূহকে অবস্থান্তর মৌল বলে।
কোনো একটি পরমাণুর ভর এবং একটি কার্বন-12 পরমাণুর ভরের অংশের অনুপাতকে ঐ মৌলের পারমাণবিক ভর বলা হয়।
এখানে দেখা যায়, পারমাণবিক ভর হলো দুটি ভরের অনুপাত, তাই আপেক্ষিক পারমাণবিক ভরের কোনো একক থাকে না।
উদ্দীপকের ও এর মধ্যবর্তী মৌল হলো এবং এর পরবর্তী ও এর নিচের মৌল হলো । সুতরাং ও এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ । উক্ত -এর জলীয় দ্রবণের তড়িৎ পরিবাহিতা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
ও আয়ন দ্বারা গঠিত যৌগ হলো । একটি বিকারে গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে না। এবার দ্রবণটিতে গ্রাফাইট বা ধাতব দণ্ড ডুবিয়ে দণ্ডদ্বয়ের সাথে একটি বাল্ব ও ব্যাটারি যুক্ত করি এবং বিদ্যুৎ পরিবহণ বর্তনী পূর্ণ করি। দেখা যাবে বাল্বটি জ্বলে উঠেছে। অর্থাৎ গলিত অবস্থায় এর বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য দরকার ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন। গলিত বা জলীয় দ্রবণে ও আয়ন তৈরি করার কারণে যৌগটি বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।
উদ্দীপকের ও এর মধ্যবর্তী মৌল হলো এবং এর পরবর্তী ও এর নিচের মৌল দুটি এবং হলো যথাক্রমে ও । সুতরাং , ও মৌলসমূহের ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো-
আমরা জানি, একই পর্যায়ের বাম হতে ডানে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের পারমাণবিক আকার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। কারণ বাম থেকে ডানে মৌলের নিউক্লিয়াসে ক্রমান্বয়ে একটি করে প্রোটন বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং বহিঃস্থ শক্তিস্তরে অনুরূপভাবে ইলেকট্রন সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে কিন্তু ইলেকট্রনের স্তরের কোনো পরিবর্তন হয় না। ফলে বহিঃস্থ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয় এবং সেই সঙ্গে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। আবার পর্যায় সারণির একই গ্রুপে অবস্থিত মৌলসমূহের পারমাণবিক আকার পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপর থেকে নিচে বৃদ্ধি পায়। কারণ একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে পরমাণুর শক্তিস্তর বৃদ্ধি পায়। ফলে পরমাণুর আকার বৃদ্ধি পায়।
যে মৌলের আকার যত বড় তার ইলেকট্রন আসক্তি তত কম। অপরদিকে যে মৌলের আকার যত ছোট তার ইলেকট্রন আসক্তি তত বেশি।
অতএব, , ও মৌলসমূহের ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম হবে |
