‘Y’ মৌলের আইসোটোপের শতকরা পরিমাণ যথাক্রমে 98.93% , 0.702% এবং 0.368%।
পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারদিকে ইলেকট্রনসমূহ আবর্তনের জন্য যে বৃত্তাকার কক্ষপথ রয়েছে সেগুলোকে অরবিট বলে।
ইথেনসমূহ কার্বন-কার্বন ও কার্বন-হাইড্রোজেন শক্তিশালী একক সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত। তাই এই যৌগসমূহ সাধারণত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। এরা এসিড, ক্ষার, ধাতু ও জারকের সাথে বিক্রিয়া করে না। যেমন- অকটেন গাঢ় সালফিউরিক এসিড, সোডিয়াম ধাতু ও পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেটের সাথে বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। এজন্য ইথেন একটি প্যারাফিন যৌগ।
উদ্দীপকের মৌলের আইসোটোপের শতকরা পরিমাণ যথাক্রমে ও ।
সুতরাং মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর
অতএব মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর, 12.
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি হলো-
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটির সাম্যাবস্থায় তাপ ও চাপের প্রভাব আছে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
প্রদত্ত বিক্রিয়াটিতে এর মান ধনাত্মক অর্থাৎ এটি একটি তাপহারী বিক্রিয়া। সুতরাং লা-শাতেলিয়ারের নীতি অনুসারে তাপহারী বিক্রিয়ার তাপ বৃদ্ধি করলে সাম্যের অবস্থান সামনের দিকে এবং তাপ হ্রাস করলে সাম্যের অবস্থান পিছনের দিকে অগ্রসর হয় অর্থাৎ বিয়োজন হ্রাস পায়।
আবার, দ্রবণে বা কঠিন অবস্থায় বিক্রিয়া হলে আয়তনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। ফলে এ ধরনের বিক্রিয়ার উপর চাপের কোনো প্রভাব নেই। কিন্তু যে সকল বিক্রিয়ার উভয়দিকে গ্যাসীয় পদার্থের মোল সংখ্যা অর্থাৎ আয়তনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না, তাদের ক্ষেত্রেও চাপের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। তাদের ক্ষেত্রে চাপের কোনো প্রভাব নেই। কিন্তু যে সকল বিক্রিয়ার উভয়দিকে গ্যাসীয় পদার্থের মোল সংখ্যা সমান নয় সেখানে আয়তনের তারতম্য ঘটে এবং চাপের প্রভাবে সাম্যাবস্থা পরিবর্তন ঘটে।
উল্লিখিত বিক্রিয়ার সমীকরণ হতে দেখা যায়, 1 mol বিক্রিয়ক যৌগ বিয়োজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে 2 mol উৎপাদ যৌগ উৎপন্ন করেছে। অর্থাৎ উৎপাদ যৌগের মোল সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে চাপও অনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই লা-শাতেলিয়ের নীতি অনুসারে সংশ্লিষ্ট বিক্রিয়ার সমীকরণের উপর চাপের প্রভাব প্রদর্শিত হয়। এ বিক্রিয়াটি সাম্যাবস্থায় পৌঁছার পর চাপ হ্রাস করলে বিক্রিয়াটি সামনের দিকে ধাবিত হবে। আবার বিক্রিয়াটির চাপ বৃদ্ধি করলে বিক্রিয়াটি পিছনের দিকে ধাবিত হবে অর্থাৎ বিয়োজন হ্রাস পাবে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিক্রিয়াটির সাম্যবস্থায় তাপ ও চাপের প্রভাব আছে।
