A. Nayan
A. Nayan
2 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – পর্যায় সারণি, রসায়ন (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: রসায়ন📖 ৩য় অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ১২🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

এমন এক ধরনের কঠিন পদার্থ যাকে বিভিন্ন আকৃতি (প্লেট, বার, শিট) প্রদান করা যায় এবং আঘাত করলে ঝন্‌ঝন্ শব্দ হয় তাকে ধাতু বলে।

উত্তর:

Mg2+ বলতে Mg এর ক্যাটায়নকে বুঝায়। ধনাত্মক চিহ্ন (2+)দ্বারা বুঝানো হয় যে, Mg দুইটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Mg ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। Mg2+ আয়ন দ্বারা আরো বুঝা যায় যে, এটি Ne এর e বিন্যাস অর্জন করে।

উত্তর:

উদ্দীপকের AX মৌল দুটি যথাক্রমে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম। হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম উভয়ই প্রথম পর্যায়ের মৌল।

ইলেকট্রন আসক্তি হলো গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে নির্গত শক্তির পরিমাণ। একই পর্যায়ের যতই বাম থেকে ডানে যাওয়া যায় মৌলসমূহের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক চার্জ বৃদ্ধি পায় এবং সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে একটি করে ইলেকট্রন যুক্ত হয়। কিন্তু শক্তিস্তরের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় না। ফলে একই পর্যায়ের বাম থেকে ডান দিকে গেলে নিউক্লিয়াস কর্তৃক সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়। এতে পরমাণুর আকার হ্রাস পায়। ফলে একই পর্যায়ের যতই বাম থেকে ডান দিকে যাওয়া যায় মৌলসমূহের ইলেকট্রন আসক্তি ততই বৃদ্ধি পায়।

যেহেতু হাইড্রোজেন অপেক্ষা হিলিয়ামের আকার ছোট তাই He ইলেকট্রন আসক্তি বেশি হওয়ার কথা। অথচ এখানে ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয় কারণ He নিষ্ক্রিয় হওয়ায় সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জন করে না। সে কারণে He হতে H এর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি হয়। অর্থাৎ H > He.

উত্তর:

উদ্দীপকের YZ মৌল দুইটি যথাক্রমে অক্সিজেন ও ফ্লোরিন। দ্বিতীয় পর্যায়ের এ মৌলগুলোর আয়নীকরণ শক্তির ক্রম ব্যাখ্যা করা হলো:

পর্যায় সারণিতে একই পর্যায়ের ক্ষেত্রে মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের আয়নিকরণ শক্তির মান সাধারণত বৃদ্ধি পেতে থাকে। একই পর্যায়ে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ইলেকট্রনের শক্তিস্তর বাড়ে না। ফলে নিউক্লিয়াস থেকে সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রনের দূরত্ব বাড়ে না বরং কিছুটা হ্রাস পায়। নিউক্লিয়াসে চার্জ বৃদ্ধির ফলে সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রন অধিকতর দৃঢ়ভাবে আকৃষ্ট হয়। ফলে এ ইলেকট্রনকে অপসারণ করার জন্য অধিকতর শক্তির প্রয়োজন হয়। ফলে আয়নিকরণ শক্তির মান বৃদ্ধি পেতে থাকে।

এক্ষেত্রে O মৌলের ডানদিকে F মৌল অবস্থান করায় F এর আয়নীকরণ শক্তির মান বেশি হবে। অর্থাৎ O<F.

আবার, দ্বিতীয় পর্যায়ের -এ মৌলগুলোর পারমাণবিক আকারের ক্রম নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

আমরা জানি, একই পর্যায়ের বাম হতে ডানে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের পারমাণবিক আকার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। কারণ বাম থেকে ডানে মৌলের নিউক্লিয়াসে ক্রমান্বয়ে একটি করে প্রোটন বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং বহিঃস্থ শক্তিস্তরে অনুরূপভাবে ইলেকট্রন সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে কিন্তু ইলেকট্রনের স্তরের কোনো পরিবর্তন হয় না। ফলে বহিঃস্থ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয় এবং সেই সঙ্গে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। আবার পর্যায় সারণির একই গ্রুপে অবস্থিত মৌলসমূহের পারমাণবিক আকার পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপর থেকে নিচে বৃদ্ধি পায়। কারণ একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে পরমাণুর শক্তিস্তর বৃদ্ধি পায়। ফলে পরমাণুর আকার বৃদ্ধি পায়।

অতএব, মৌলসমূহের পারমাণবিক আকারের ক্রম হলো O>F.

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – পর্যায় সারণি, রসায়ন (এসএসসি)”