[এখানে, A, B, C প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত, প্রচলিত কোনো মৌলের প্রতীক নয়।]
কোনো পরমাণুতে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলা হয়।
ইথিন বা ও বিউটিন বা ) এর স্থূল সংকেত একই। কারণ ও উভয় যৌগের পরমাণু সংখ্যার অনুপাত C:H=1:2। ফলে উভয়ের স্থূল সংকেত একই হয়।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, A ও C মৌলদ্বয় যথাক্রমে F ও K এবং এদের দ্বারা গঠিত যৌগ KF। নিচে KF যৌগের বন্ধন গঠন চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো-
K ও F পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস নিমরূপ-
K পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাস আর্গনের স্থিতিশীল অষ্টক কাহামো লাভ করে এবং আয়নে পরিণত হয়। অপরদিকে F পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ ২য় শক্তিস্তরে 1 টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিয়নের স্থিতিশীল অষ্টক কাঠামো লাভ করে এবং আয়নে পরিণত হয়। এভাবে সৃষ্ট ও আয়নদ্বয় বিপরীত আধানযুক্ত হওয়ায় তারা পরস্পর স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ শক্তির দ্বারা যুক্ত হয়ে KF আয়নিক যৌগ গঠন করে ।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, B ও C মৌলদ্বয় যথাক্রমে Li ও K । Li ও K একই গ্রুপের মৌল। নিচে যথাযথ সমীকরণসহ ব্যাখ্যা করা হলোLi ও K এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যাচ্ছে, এদের যোজ্যতা স্তরে 1টি করে তথা একই সংখ্যক ইলেকট্রন আছে। এরা উভয়েই পানির সাথে বিস্ফোরণসহ বিক্রিয়া করে তীব্র ক্ষার LiOH এবং KOH তৈরি করে।
আবার উভয় মৌল লঘু HCl এর সাথে বিক্রিয়া করে গ্যাস তৈরি করে।
উভয় মৌলই হাইড্রোজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ধাতব হাইড্রাইড তৈরি করে।
এরা উভয়েই বিজারক পদার্থ। এসব বৈশিষ্ট্য থেকে বলা যায়, Li ও K একই গ্রুপের মৌল।
