ইলেকট্রন আদান-প্রদানের ফলে সৃষ্ট আয়নের মধ্যে যে বন্ধন সৃষ্টি হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে।
হাইড্রোজেন ও ক্লোরিন এর মধ্যে সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCI) গঠিত হয়। সাধারণত সমযোজী যৌগ অপোলার হয়। কিন্তু হাইড্রোজেন (2.1) ও ক্লোরিনের (3.0) তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য বেশি হওয়ায় ক্লোরিন বন্ধনজোড় ইলেকট্রনকে নিজের দিকে টেনে নেয়। ফলে হাইড্রোজেন আংশিক ধনাত্মক ও ক্লোরিন আংশিক ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত হয়। এভাবে সৃষ্ট আংশিক ধনাত্মক ও আংশিক ঋণাত্মক চার্জযুক্ত যৌগ পোলার যৌগ। তাই HCI একটি পোলার যৌগ।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,
উপরিউক্ত বিক্রিয়ার যৌগ অর্থাৎ যৌগটির শতকরা সংযুতি নিম্নে নির্ণয় করা হলো-
যৌগের আণবিক ভর
সুতরাং যৌগে, এর শতকরা সংযুতি
এবং যৌগে, এর শতকরা সংযুতি
অতএব, যৌগে, নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন বিদ্যমান।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,
উক্ত বিক্রিয়াটির উপর তাপমাত্রা ও ঘনমাত্রার প্রভাব নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো-
তাপের প্রভাব: এ বিক্রিয়ার মান ধনাত্মক হওয়ায় বিক্রিয়াটি তাপহারী বিক্রিয়া। লা-শাতেলিয়ার নীতি অনুসারে এ বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় তাপ প্রয়োগ করা হলে বিক্রিয়ার সাম্য বামদিক থেকে ডানদিকে সরে যাবে অর্থাৎ ও বিক্রিয়া করে উৎপন্ন হবে। আবার সাম্যাবস্থায় তাপ হ্রাস করা হলে বিক্রিয়ার সাম্য ডানদিক থেকে বামদিকে সরে যাবে অর্থাৎ ভেঙে ও উৎপন্ন হবে।
ঘনমাত্রার প্রভাব : সাম্যাবস্থায় ঘনমাত্রা বৃদ্ধি করলে বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থা ডান দিকে অগ্রসর হয়ে বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা হ্রাস করে পরিবর্তনের ফলাফলকে প্রশমিত করে এবং উৎপাদের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। একইভাবে বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় যে কোনো একটি উৎপাদের ঘনমাত্রা বৃদ্ধি করলে সাম্যাবস্থা বাম দিকে সরে যাবে।
অর্থাৎ বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় ও এর পরিমাণ বৃদ্ধি করা হলে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
