কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে।
Ar মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা 18 । মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস হলো-
ইলেকট্রন বিন্যাসে দেখা যায়, মৌলটি কাঠামো অনুসরণ করে যা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের কাঠামো। এটির অষ্টক পূর্ণ হওয়ায় অন্য কোনো মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না। এজন্য Ar-কে নিষ্ক্রিয় মৌল বলা হয়।
উদ্দীপকের মৌলের '' আয়নের সংখ্যা, 2। সুতরাং মৌলের সংখ্যা, 3। অর্থাৎ মৌলটির হলো । এর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর,
এখানে,
বহিঃস্থ শক্তিস্তর, n = 2
প্লাঙ্কের ধ্রুবক,
আমরা জানি,
কৌণিক ভরবেগ
অতএব, Li মৌলের শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ, ।
উদ্দীপকের ও অর্থাৎ ম্যাগনেসিয়াম ও অক্সিজেন দ্বারা সংঘটিত বিক্রিয়াটি হলো-
উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক ম্যাগনেসিয়াম ও অক্সিজেন পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন করে। সুতরাং এটি একটি সংযোজন বিক্রিয়া। আবার যেহেতু বিক্রিয়ক দুইটি মৌলিক পদার্থ সেহেতু এটি সংশ্লেষণ বিক্রিয়া। যে সকল রাসায়নিক বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পদার্থ পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি মাত্র উৎপাদ উৎপন্ন করে তাকে সংযোজন বিক্রিয়া বলে।
আবার, যেসব সংযোজন বিক্রিয়ায় শুধু মাত্র মৌলিক পদার্থ যুক্ত হয়ে যৌগ গঠন করে তাদেরকে সংশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে।
কোনো মৌল বা যৌগকে বাতাসের অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার উপাদান মৌলের অক্সাইডে পরিণত করার প্রক্রিয়াকেই দহন বিক্রিয়া বলে। এখানে Mg বায়ুর অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে MgO উৎপন্ন করে যা একটি দহন বিক্রিয়া।
যে সকল রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এর আদান-প্রদান হয় তাকে জারণবিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়া বলে। উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় Mg দুইটি ত্যাগ করে এবং অক্সিজেন দুইটি গ্রহণ করে। অর্থাৎ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে। সুতরাং এটি একটি রেডক্স বিক্রিয়াও বটে। জারণ অর্ধবিক্রিয়া,
বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া,
অতএব, উদ্দীপকের ম্যাগনেসিয়াম ও অক্সিজেন দ্বারা সংঘটিত বিক্রিয়া একাধারে সংযোজন, সংশ্লেষণ, দহন ও রেডক্স বিক্রিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে।
