[X প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
একক সময়ে যে পরিমাণ বিক্রিয়ক উৎপাদে পরিণত হয় তাকে বিক্রিয়ার হার বলে।
স্থূল সংকেত যৌগের অণুতে বিদ্যমান মৌলসমূহের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত প্রকাশ করে। ফলে ভিন্ন আণবিক ভর বিশিষ্ট দুটি যৌগের স্থূল সংকেত এক হতে পারে। বেনজিনের আণরিক সংকেত , আবার ইথাইন তথা অ্যাসিটিলিনের আণবিক সংকেত । উভয়েরই পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত C : H=1 : 1। ফলে উভয়েরই স্থূল সংকেত একই (CH) হয়।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি,
আমরা জানি,
পুরাতন বন্ধন ভাঙার প্রয়োজনীয় শক্তি নতুন বন্ধন গড়তে নির্গত শক্তি
[∴ উদ্দীপক হতে বন্ধন শক্তির মানগুলো বসিয়ে পাই]
সুতরাং, উদ্দীপকের বিক্রিয়ার এর মান - 92 kJ ।
উদ্দীপকের বিক্রিয়ার এবং এর বন্ধন শক্তি হওয়ায় মৌলটি হলো । সুতরাং বিক্রিয়াটি হবে,
বিক্রিয়াটির ক্ষেত্রে লা শাতেলিয়ার নীতির প্রয়োগ ঘটে। নিচে তা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
তাপমাত্রার প্রভাব : বিক্রিয়াটি তাপোৎপাদী অর্থাৎ এক্ষেত্রে তাপ নির্গত হয়। সুতরাং তাপমাত্রা বাড়ালে লা-শাতেলিয়ার নীতি অনুযায়ী বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থা ডান থেকে বাম দিকে সরে যাবে। অর্থাৎ এর উৎপাদন হ্রাস পাবে। আবার, তাপমাত্রা কমালে সাম্যাবস্থা বাম থেকে ডান দিকে অগ্রসর হবে অর্থাৎ -এর উৎপাদন বেড়ে যাবে।
চাপের প্রভাব : বিক্রিয়াটিতে বিক্রিয়কের মোট মোল সংখ্যা (4) অপেক্ষা উৎপাদের মোট মোল সংখ্যা (2) কম। সুতরাং চাপ বাড়ালে লা শাতেলিয়ারের নীতি অনুযায়ী সাম্যাবস্থা বাম থেকে ডান দিকে সরে যাবে অর্থাৎ -এর উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। আবার চাপ কমালে সাম্যাবস্থা ডান থেকে বাম দিকে সরে যাবে অর্থাৎ -এর উৎপাদন হ্রাস পাবে।
ঘনমাত্রার প্রভাব : বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় বিক্রিয়ার সংশ্লিষ্ট কোনো উপাদান যেমন- বা যোগ করলে সাম্যাবস্থা বাম থেকে ডান দিকে অগ্রসর হবে অর্থাৎ -এর উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। আবার, বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় যোগ করলে সাম্যাবস্থা ডান থেকে বাম দিকে অগ্রসর হবে অর্থাৎ -এর উৎপাদন হ্রাস পাবে ।
