(i)
(ii)
রাসায়নিক বিক্রিয়াকে সংক্ষেপে উপস্থাপন করার জন্য যে সমীকরণ ব্যবহার করা হয় সেই সমীকরণকে রাসায়নিক সমীকরণ বলে।
0.01 M HCI দ্রবণ বলতে বুঝায়, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় 1 লিটার HCI দ্রবণে 0.01 mol HCl দ্রব আছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো দ্রবণের প্রতি লিটারে 0.01 মোল দ্রব থাকলে সে দ্রবণ হচ্ছে সেন্টিমোলার দ্রবণ।
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি-
বিক্রিয়াটি একটি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলোউদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক Ca এর জারণ মান শূন্য (০) থেকে উৎপাদ যৌগে Ca এর জারণ মান + 2 হয়েছে। এক্ষেত্রে Ca এর জারণ মান বৃদ্ধি পাওয়ায় এর জারণ ঘটেছে।
জারণ বিক্রিয়া : (i)
আবার বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক এ এর জারণ মান + 1 থেকে হ্রাস পেয়ে উৎপাদ তে জারণ মান শূন্য ( 0 ) হয়েছে। এক্ষেত্রে এর জারণ মান হ্রাস ঘটে বলে এর বিজারণ হয়েছে।
বিজারণ বিক্রিয়া : (ii)
সমীকরণ (i + ii) হতে পাই,
দর্শক আয়ন যোগে বিক্রিয়াটি,
সুতরাং, বিক্রিয়াটি একটি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া।
উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি-
বিক্রিয়াটি গ্যাসীয় উভমুখী এবং আয়তন হ্রাসের মাধ্যমে ঘটে। নিচে বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থার উপর চাপ ও ঘনমাত্রার প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো-
◉ চাপের প্রভাব: বিক্রিয়াটিতে বিক্রিয়কের মোল সংখ্যা 2 থেকে হ্রাস পেয়ে উৎপাদের মোল সংখ্যা 1 হয়েছে। অর্থাৎ বিক্রিয়াটি আয়তন হ্রাসের মাধ্যমে ঘটেছে। এজন্য বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় অধিক চাপ প্রয়োগের ফলে সাম্যাবস্থা বাম থেকে ডানে গিয়ে উৎপাদ এর পরিমাণ বৃদ্ধি করবে। কম চাপে বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থা ডান থেকে বামে সরে আসে বলে উৎপাদের পরিমাণ হ্রাস পায়।
◉ ঘনমাত্রার প্রভাব: বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় কিছু পরিমাণ যোগ করলে বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থা বাম থেকে ডানে সরে গিয়ে উৎপাদ এর পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
আবার বিক্রিয়াটি উভমুখী হওয়ায় উৎপাদ উৎপন্ন হওয়ার সাথে সাথে বিক্রিয়াস্থান থেকে সরিয়ে নিতে হবে নয়তো বিপরীত বিক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপাদের পরিমাণ হ্রাস ঘটবে।
