[এখানে B – B ও A – B এর বন্ধন শক্তি যথাক্রমে
যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌল বা মৌলিক পদার্থ বলে।
যোজনী ও জারণ সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি-
দেওয়া আছে
A-B এর বন্ধন শক্তি
এর বন্ধন শক্তি
এর বন্ধন শক্তি = ?
আমরা জানি,
=পুরাতন বন্ধন ভাঙার প্রয়োজনীয় শক্তি - নতুন বন্ধন গড়তে নির্গত শক্তি
বা,
বা,
বা,
বা,
সুতরাং; A - A এর বন্ধনশক্তি 436 kJ/mole ।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি পুনরায় লিখে
বিক্রিয়াটি একটি তাপোৎপাদী বিক্রিয়া। কীভাবে বিক্রিয়াটির উৎপাদ বৃদ্ধি করা যায় তা লা-শাতেলিয়ার নীতির আলোকে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
তাপ্রমাত্রার প্রভাব : যেহেতু বিক্রিয়াটি একটি তাপোৎপাদী বিক্রিয়ায় তাই তুলনামূলক কম তাপে বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থা বাম থেকে ডানদিকে গিয়ে উৎপাদের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ কম তাপে ও পরস্পর যুক্ত হয়ে অধিক উৎপাদ AB তৈরি করে।
চাপের প্রভাব : এ বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মোল সংখ্যা সমান। এজন্য বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থায় চাপের কোনো প্রভাব নেই।
ঘনমাত্রার প্রভাব : এ বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কে কিছু পরিমাণ বা যোগ করলে বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। ফলে বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থা বাম থেকে ডানে গিয়ে উৎপাদ AB এর পরিমাণ বৃদ্ধি করে। আবার উৎপাদ AB উৎপন্ন হওয়ার সাথে সাথে বিক্রিয়ায় স্থান থেকে সরিয়ে নিতে হবে, নয়তো বিপরীত বিক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপাদের পরিমাণ কমে যাবে।
