যে সকল হাইড্রোকার্বনে কার্বন-কার্বন একক বন্ধন উপস্থিত থাকে তাদেরকে অ্যালকেন বলে। অ্যালকেনের সাধারন সংকেত হলো
মাটির উপরিভাগে বা তলদেশে যে সকল পদার্থ হতে বিভিন্ন প্রকার ধাতু বা অধাতু ইত্যাদি সংগ্রহ করা হয় তাদেরকে খনিজ বলে। আবার যে সকল খনিজ হতে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতুকে সংগ্রহ বা নিষ্কাশন করা যায় সে সকল খনিজকে আকরিক বলে। অর্থাৎ খনিজের একটি অংশ হলো আকরিক। সুতরাং সব আকরিক খনিজ হলেও সব খনিজ আকরিক নয়। যেমন, কাদামাটি হতে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না। সেজন্য কাদামাটি শুধুমাত্র অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ কিন্তু আকরিক নয়।
উদ্দীপকের পাত্রদ্বয়ের ও এর জলীয় দ্রবণে পৃথকভাবে কয়েক ফোঁটা লঘু NaOH দ্রবণ যোগ করলে উক্ত দ্রবণে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয়। তা নিম্নে সমীকরণসহ বিশ্লেষণ করা হলো:
একই দ্রাবকে দুটি যৌগ মিশ্রিত করলে তারা পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে যে উৎপাদগুলো উৎপন্ন করে তাদের মধ্যে কোনোটি যদি ঐ দ্রাবকে অদ্রবণীয় বা খুবই কম পরিমাণে দ্রবণীয় হয় তবে তা বিক্রিয়া পাত্রের তলায় কঠিন অবস্থায় তলানি হিসেবে জমা হয়। এ তলানিকে অধঃক্ষেপ (Precipitate) বলে। যে বিক্রিয়ায় দ্রবণীয় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে অদ্রবণীয় কঠিন উৎপাদে পরিণত হয় তাকে অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া বলে।
ও লঘু NaOH এর বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অধঃক্ষেপ :
এর জলীয় দ্রবণের মধ্যে লঘু NaOH যোগ করলে তাদের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটে এবং ও উৎপন্ন হয়। এখানে উৎপন্ন এর দ্রবণীয়তা বেশি হওয়ায় তা পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। কিন্তু এর দ্রবণীয়তা কম হওয়ায় তা পাত্রের তলায় অধঃক্ষেপ হিসেবে জমা হয়।
ও লঘু NaOH এর বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অধঃক্ষেপ :
এর জলীয় দ্রবণের মধ্যে লঘু NaOH দ্রবণ যোগ করলে তাদের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটে এবং AgOH ও উৎপন্ন হয়। এখানে উৎপন্ন এর দ্রবণীয়তা বেশি হওয়ায় তা পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। কিন্তু AgOH এর দ্রবণীয়তা কম হওয়ায় তা পাত্রের তলায় অধঃক্ষেপ হিসেবে জমা হয়।
অতএব ও এর জলীয় দ্রবণে লঘু NaOH যোগ করলে পৃথকভাবে অধঃক্ষেপ পড়ে।
উদ্দীপকের কোষটি হলো গ্যালভানিক কোষ। এ কোষে Zn দণ্ডটি অ্যানোড এবং Ag দণ্ডটি ক্যাথোড হিসেবে যথাক্রমে ও দ্রবণে ডুবানো আছে। আর দণ্ড দুটি একটি পরিবাহী তার দ্বারা যুক্ত আছে।
কোষটিতে Zn দণ্ড অ্যানোড হিসেবে কাজ করায় তা দ্রবণে ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয় Ag দণ্ড ক্যাথোড হিসেবে কাজ করায় তা দ্রবণ হতে ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়। অর্থাৎ
এখন তার দিয়ে তড়িৎদ্বার দুটিকে সংযুক্ত করলেই অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে ইলেকট্রন প্রবাহের সৃষ্টি হবে। আর ইলেকট্রন প্রবাহ মানেই বিদ্যুৎ প্রবাহ। তাই ড্যানিয়েল কোষের বাইরের তারের সাথে বৈদ্যুতিক বাল্ব যুক্ত করলে বাল্বটি জ্বলে উঠবে।
কিন্তু লবণসেতু ব্যবহার না করার কারণে একসময় বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে বাল্বটি নিভে যাবে।
