ধাতু পরমাণুসমূহ তার সর্বশেষ শক্তিস্তরের এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয়। এই ধনাত্মক আয়নকেই পারমাণবিক শাঁস বলে।
যেসব কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তা সরাসরি কঠিন হতে গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয় তাদেরকে ঊর্ধ্বপাতিত বস্তু বলে। নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড যৌগকে তাপ দিলে তা কঠিন থেকে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এজন্য নিশাদলকে ঊর্ধ্বপাতিত বস্তু বলা হয়।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,
উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় C যৌগ অর্থাৎ যৌগটি ক্ষারধর্মী তা নিম্নে প্রমাণ করা হলো-
যে যৌগগুলো এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে সেসব যৌগগুলোকে ক্ষারধর্মী যৌগ বলা হয়।
আবার, অ্যামোনিয়াম লবণের সাথে ক্ষারের বিক্রিয়ায় অ্যামোনিয়া গ্যাস, লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।
এছাড়াও এর জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে এবং এর জলীয় দ্রবণ পিচ্ছিল। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে হলো ক্ষারধর্মী যৌগ।
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,
উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় D যৌগ অর্থাৎ যৌগটি বিরঞ্জক ও জীবাণুনাশক নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় D যৌগ অর্থাৎ Ca(OCl)CI যৌগটি বিরঞ্জক ও জীবাণুনাশক নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
ব্লিচিং পাউডার বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানির সাথে বিক্রিয়ায় হাইপোক্লোরাস এসিড উৎপন্ন করে। হাইপোক্লোরাস এসিড তাৎক্ষণিক বিয়োজিত হয়ে জায়মান অক্সিজেন উৎপন্ন করে। এই জায়মান অক্সিজেনের জারণ ক্রিয়ায় কাপড়ের দাগ দূর হয়। জায়মান অক্সিজেন ও HCI এর বিক্রিয়ায় পানি ও সক্রিয় ক্লোরিন উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন ক্লোরিনের জারণ ক্রিয়ায় দাগ দূর হয়।
দাগযুক্ত কাপড় + [O]→ দাগহীন কাপড় এভাবে ব্লিচিং পাউডার কাপড়ের দাগ দূর করে।
সুতরাং যৌগটি বিরঞ্জক হিসেবে কাজ করে।
আবার, ব্লিচিং পাউডার একটি কার্যকরী জীবাণুনাশক। ঘরের মেঝে, কমোড, বেসিন ইত্যাদি জায়গা থেকে জীবাণু ধ্বংস করার কাজে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। ব্লিচিং পাউডারকে যখন কোনো ঘরের মেঝে, কমোড, বেসিন ইত্যাদির উপর রেখে পানি যোগ করা হয়, তখন ব্লিচিং পাউডার পানির সাথে বিক্রিয়া করে ও এসিড উৎপন্ন করে।
হাইপোক্লোরাস এসিড ভেঙে গিয়ে জায়মান অক্সিজেন [O] উৎপন্ন করে, যা জীবাণুকে ধ্বংস করে।
জীবাণু + [O] → মৃত জীবাণু।
যেহেতু ব্লিচিং পাউডারের জারণে জীবাণু ধ্বংস হয়। তাই বলা যায় যে, ব্লিচিং পাউডার একটি কার্যকরী জীবাণুনাশক।
