A. Nayan
A. Nayan
2 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০২৪ – এসিড ক্ষারক সমতা, রসায়ন (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: রসায়ন📖 ৮ম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: সিলেট বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।

উত্তর:

মোম কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত একটি হাইড্রোকার্বন। মোমকে আগুন দ্বারা জ্বালালে এর দহন ঘটে। ফলে মোমের দহনের সময় এর কিছু অংশের গলন হয়। যা মোমের নিচ অংশে জমা হয়ে কঠিন আকার ধারণ করে। আর এটি হলো ভৌত পরিবর্তন। অর্থাৎ মোমের গঠনগত কোনো পরিবর্তন হয় না।

অতএব, মোমের গলনের সময় ভৌত পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।

উত্তর:

উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই,

 

উপরিউক্ত বিক্রিয়ার 'X' যৌগটি CaCl2 যা পানির স্থায়ী খরতার কারণ। স্থায়ী খর পানিতে সাবান অপচয়ের কারণ নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো:

পানিতে ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের ক্লোরাইড, সালফেট, কার্বনেট বাইকার্বনেনট ইত্যাদি লবণ দ্রবীভূত থাকলে উক্ত পানি সাবানের সাথে সহজে ফেনা উৎপন্ন করে না। এ ধরনের পানিকে খর পানি বলে। অবশ্য ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম ছাড়া আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ প্রভৃতি লবণ দ্রবীভূত থাকলেও পানি খর হয়। খর পানিতে সাবান ঘষলে সহজে ফেনা উৎপাদন করে না। কারণ সাবান হলো উচ্চতর জৈব এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ। যেমন- সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) হলো স্টিয়ারিক এসিডের সোডিয়াম লবণ। এটি সাবান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ সাবান দিয়ে খর পানিতে কাপড় কাচা হলে যতক্ষণ পানিতে ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের লবণ উপস্থিত থাকে ততক্ষণ ফেনা উৎপন্ন হয় না বরং সাবান ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে।

2C17H35COONa+CaCl2(C17H35COO)2Ca+2NaCl

উত্তর:

উদ্দীপকের (ii) ও (iii) নং বিক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে পাই-

উপরিউক্ত বিক্রিয়া দুটি লক্ষ করলে দেখা যায় Y ও Z যৌগদ্বয় হলো যথাক্রমে পলিথিন ও পলিপ্রোপিন। যা প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ। বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক হারে প্লাস্টিক জাতীয় কৃত্রিম পলিমার ব্যবহার করা হচ্ছে। এ জাতীয় পদার্থ ব্যবহারের প্রচুর সুবিধা রয়েছে। অপরদিকে, প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ আমাদের পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। নিম্নে এদের সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ বিশ্লেষণ করা হলো:

সুবিধা: প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ থেকে আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস যেমন- থালাবাসন, বিভিন্ন ধরনের পাইপ, বিভিন্ন কন্টেইনার, ব্যাগসহ আরও অনেক কিছু প্রস্তুত করা হয়। এগুলো তৈরিতে আগে সম্পূর্ণরূপে ধাতু, প্রাকৃতিক তন্তু যেমন- তুলা, পাট, রেশম, কাঠ ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। প্লাস্টিক এদের তুলনায় অনেক পাতলা। প্লাস্টিকে ইচ্ছা অনুযায়ী রূপ দিয়ে বিভিন্ন আকারের জিনিস তৈরি করা যায় এবং তাতে বিভিন্ন ধরনের রং মিশিয়ে আকর্ষণীয় করে তুলা সম্ভব।

অসুবিধা: প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্যের সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো তা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। আমরা যে সকল জিনিস মাটিতে বা পানিতে ফেলি সেগুলো ব্যাকটেরিয়া বা বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন বা মাটি বা পানিতে অন্য পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। কিন্তু প্লাস্টিক দ্রব্য যেমন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না, তেমনই অন্যান্য পদার্থের সাথেও বিক্রিয়া করে না। তাই মাটিতে বা পানিতে ফেললে তা একই রকম থেকে যায়। ফলে এটি মাটি ও পানির দূষণ ঘটায়। সেই সাথে পরিবেশেরও ভারসাম্য নষ্ট হয়।

সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা হতে সহজেই বুঝা যায় যে, পলিথিন ও পলিপ্রোপিন অর্থাৎ প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থের ব্যবহার সুবিধাজনক হলেও তা আমাদের পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০২৪ – এসিড ক্ষারক সমতা, রসায়ন (এসএসসি)”