(i)
(ii)
(iii)
(iv)
ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে অলিয়াম বলে।
সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট এবং টারটারিক এসিডে শুষ্ক মিশ্রণই হলো বেকিং পাউডার। কেক তৈরি করার সময় ময়দার সাথে বেকিং পাউডার যুক্ত করে পানি যোগ করলে এদের মধ্যে প্রশমন বিক্রিয়া হয় এবং উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ কেককে চুলায় দিলে বেকিং পাউডার বিয়োজিত হয়ে সোডিয়াম কার্বনেট, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়। অতঃপর উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইড ময়দাকে ফুলিয়ে উড়ে যায়। এভাবেই বেকিং পাউডার কেক ফোলায়।
উদ্দীপকের বিক্রিয়া তিনটি সম্পন্ন করে পাই,
(i)
(ii)
(iii)
পরিবেশের উপর উপরিউক্ত বিক্রিয়াত্রয় হতে উৎপন্ন ও গ্যাসত্রয়ের ক্ষতিকর প্রভাব বিক্রিয়াসহ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো :
সালফার ডাইঅক্সাইড ও নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে নির্গত হলে এবং বায়ু বা বায়ু প্রবাহের মাধ্যমে পরিবাহিত হলে এসিড বৃষ্টি হয়। ও পানি, অক্সিজেন ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে ও তৈরি করে। যা মাটিতে পড়ার আগে পানি বা অন্যান্য উপকরণের সাথে মিশে যায়। ও গাছ এবং গাছপালাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে। এমনকি সংবেদনশীল বাস্তুতন্ত্র এবং পানিপথের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। এ জাতীয় গ্যাস শ্বাসতন্ত্র, হার্ট ও ফুসফুসেরও ব্যাপক ক্ষতি করে। এছাড়া এসকল গ্যাসের কারণে চোখের জ্বালা ও ত্বক জ্বলতে পারে। আর যদি প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পায়, তাহলে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়নের সৃষ্টি হবে। যার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা অনেক বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফগুলো গলতে শুরু করবে। মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে আরম্ভ হলে সমুদ্রবর্তী অঞ্চলগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠে ডুবে যাবে।
আবার,
উদ্দীপকের (iv) নং বিক্রিয়ার লবণদ্বয় হলো ও । উক্ত লবণ দুটি লঘু ক্ষার NaOH এর সাথে বিক্রিয়া করে একই বর্ণের অধঃক্ষেপ সৃষ্টি করে না উত্তরের সপক্ষে সমীকরণসহ যুক্তি উপস্থাপন করা হলো :
লবণের ক্ষেত্রে, একটি টেস্টটিউবে এর দ্রবণ নিয়ে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা লঘু NaOH যোগ করলে ফেরাস হাইড্রোক্সাইড এর সবুজ বর্ণের অধঃক্ষেপ পড়ে।
অতএব, ও লবণের সাথে লঘু ক্ষার NaOH এর বিক্রিয়ায় একই বর্ণের অধঃক্ষেপ পড়ে না। অর্থাৎ এর ক্ষেত্রে সবুজ বর্ণের অধঃক্ষেপ এবং এর ক্ষেত্রে লালচে বাদামি বর্ণের অধঃক্ষেপ পড়ে।
