যে পানিতে Ca বা Mg এর ক্লোরাইড, সালফেট, কার্বনেট, বাই-কার্বনেট ইত্যাদি লবণ দ্রবীভূত থাকায় সাবানের সাথে সহজে ফেনা উৎপন্ন করে না, সে পানিকে খর পানি বলে।
উদ্ভিদ যখন মাটি থেকে বিভিন্ন ধাতব আয়ন যেমন- , ইত্যাদি শোষণ করে তখন মাটি অম্লীয় হয়ে যায়। তাতে মাটির উর্বরতা হ্রাস পায়। এক্ষেত্রে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে চুন ব্যবহার করতে হয়। কেননা চুন মাটির অতিরিক্ত এসিডকে প্রশমিত করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। তাই বলা যায়, কৃষিক্ষেত্রে প্রশমন বিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকের সংঘটিত বিক্রিয়াটি-
(ঝিনুকের খোলস)
সুতরাং, উৎপন্ন গ্যাসীয় পদার্থটি । গ্যাস অম্লধর্মী। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
জানা আছে, যে সকল পদার্থ ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে বা পানির সাথে বিক্রিয়া করে অম্ল তৈরি করে তাদেরকে অম্লীয় পদার্থ বলে। পানির সাথে বিক্রিয়ায় এসিড এবং ক্ষারের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। সুতরাং, গ্যাসটি অম্লীয়। যেমন-
বিক্রিয়া:
ঝিনুকের খোলসে 98% ক্যালসিয়াম কার্বনেট আছে। আগুনের তাপে এ ক্যালসিয়াম কার্বনেট ভেঙে গিয়ে ক্যালসিয়াম অক্সাইড এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি হয়। অর্থাৎ বিক্রিয়াটি একটি তাপীয় বিয়োজন বিক্রিয়া। বিক্রিয়াটি এন্ডোথার্মিক (endothermic) অর্থাৎ, তাপ শোষণ করে ।
বিক্রিয়া:
এখানে,
যেহেতু এ প্রক্রিয়ায় 176.8 kJ তাপ শোষিত হয়। কাজেই উদ্দীপকের পাত্রটিতে সংঘটিত বিক্রিয়াটি একটি তাপহারী প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে, বিক্রিয়াটির তাপ শোষণ = বন্ধন ভাঙার শক্তি > বন্ধন গঠনের শক্তি। জানা আছে, তাপহারী বিক্রিয়ায় তাপের শোষণ ঘটে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের বিক্রিয়ায় তাপের শোষণ ঘটে।
