(i)
পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর হতে এক বা একাধিক ইলেকট্রন সরিয়ে নিলে পরমাণুটি সামগ্রীকভাবে ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট আয়নে পরিণত হয়। আর এ আয়নই হলো ক্যাটায়ন।
কোনো মৌলের সর্বশেষ প্রধান শক্তিস্তরের মোট ইলেকট্রন সংখ্যাকেই যোজনী ইলেকট্রন বলে।
আবার, কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যত সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে বা যত সংখ্যক বিজোড় ইলেকট্রন থাকে তাকে যোজনী বলে।
নাইট্রোজেনের (N) এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ :
উপরিউক্ত ইলেকট্রন বিন্যাস লক্ষ করলে দেখা যায়, নাইট্রোজেনের সর্ববহিঃস্থ প্রধান শক্তিস্তরে মোট ইলেকট্রন সংখ্যা 5। ফলে নাইট্রোজেনের (N) যোজ্যতা ইলেকট্রন হলো 5। আবার নাইট্রোজেনের সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে বিজোড় ইলেকট্রন সংখ্যা 3। এ কারণে নাইট্রোজেনের (N) যোজনী হলো 3।
অতএব, নাইট্রোজেনের (N) যোজনী ও যোজ্যতা ইলেকট্রন ভিন্ন।
উদ্দীপকের (ii) নং যৌগটি হলো । আর যৌগটি দ্বারা কাপড় পরিষ্কারের কৌশল নিম্নে বর্ণনা করা হলো :
সাবানের দু’টি অংশ রয়েছে, একটি অপোলার এবং অপরটি পোলার। অপোলার অংশকে লেজ (Tail) এবং পোলার অংশকে মাথা (Head) বলা হয় ।
সাবানের পোলার প্রান্ত পানিতে মিশে থাকে আর অপোলার প্রান্ত পানি বিকর্ষী হওয়ায় পানির উপরিভাগে ভেসে থাকে। কোনো ময়লার সংস্পর্শে (তেল, গ্রিজ) সাবান আসলে এদের লেজগুলো ময়লার মধ্যে প্রবিষ্ট হয় আবার তাদের মাথা পানিতে অবস্থান করে। লেজ এবং মাথার বিপরীতমুখী আচরণের কারণে ময়লার দাগগুলো ইমালসনে পরিণত হয়ে লেগে থাকা পৃষ্ঠতল হতে আলাদা হয়ে পড়ে। এভাবেই সাবান ময়লা পরিষ্কার করে।
উদ্দীপকের (i) নং যৌগটি হলো যেখানে ।
সুতরাং যৌগটি হলো । প্রোপানয়িক এসিড হতে খাদ্য সংরক্ষক প্রস্তুত করা সম্ভব। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো :
প্রোপানয়িক এসিড হতে ইথানয়িক এসিড প্রস্তুতি :
প্রোপানয়িক এসিড ও লঘু NaOH এর বিক্রিয়ায় সোডিয়াম প্রোপানয়েট ও পানি উৎপন্ন হয় ।
এভাবে উৎপন্ন ইথানয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে যা খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে কাজ করে।
অতএব, প্রোপানয়িক এসিড হতে খাদ্য সংরক্ষক প্রস্তুত করা সম্ভব।
