কাছাকাছি স্থাপিত দুটি পরিবাহকের মধ্যবর্তী স্থানে অন্তরক পদার্থ রেখে তড়িৎ আধানরূপে শক্তি সঞ্চয় করে রাখার যান্ত্রিক কৌশলকে তড়িৎ ধারক বলে।
যে তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বুঝা যায় কোনো বিন্দুতে কোনো চার্জের প্রভাব আছে কি-না অর্থাৎ ঐ বিন্দুতে কোনো চার্জ আনলে তা উক্ত চার্জের দরুন কোনো বল অনুভব করবে কি-না। আর তড়িৎ তীব্রতা দ্বারা বুঝা যায় ঐ বিন্দুতে চার্জ আনলে সেটি ক্ষেত্র সৃষ্টকারী চার্জের দরুন কতটুকু বল অনুভব করবে। অর্থাৎ তড়িৎক্ষেত্র হচ্ছে একটি বিষয় আর তড়িৎ তীব্রতা হচ্ছে সে বিষয়ের পরিমাপ। এ কারণে তড়িৎক্ষেত্র ও তড়িৎ তীব্রতা একই নয়।
এখানে, A গোলকের চার্জ,
B গোলকের চার্জ,
A ও B এর মধ্যবর্তী দূরত্ব, d=1 m
কুলম্বের ধ্রুবক,
ক্রিয়াশীল বল, [প্রশ্নানুসারে]
গোলকের পরিবর্তিত চার্জ, ?
আমরা জানি,
বা,
চার্জের পরিবর্তন
অতএব, B তে চার্জের মান, 3 C বৃদ্ধি করলে বল ও কুলম্বের ধ্রুবক একই হবে।
A গোলকে আরও + 1 C আধানযুক্ত করার পূর্বে (চিত্র-১) :
A গোলকে + 1 C এবং B গোলকে - 2 C চার্জ বিদ্যমান। আমরা জানি, তড়িৎ বলরেখা ধনাত্মক চার্জ থেকে বের হয় এবং ঋণাত্মক চার্জে এসে কেন্দ্রীভূত হয়। চার্জের পরিমাণ যত বেশি হবে প্রতি একক আয়তনে বলরেখার সংখ্যা তত বেশি হবে। এক্ষেত্রে যেহেতু B গোলকে চার্জের পরিমাণ বেশি তাই B গোলকের জন্য প্রতি একক আয়তনে বলরেখার সংখ্যা A গোলক অপেক্ষা বেশি।
A গোলকে আরও + 1 C আধানযুক্ত করার পরে (চিত্র-২) :
A গোলকে + 1 C চার্জ যুক্ত করলে পরিবর্তিত চার্জ + 2C হবে এবং B গোলকে - 2 C বিদ্যমান আছে। উভয় গোলকেই সমপরিমাণে ভিন্নধর্মী চার্জ থাকায়; উভয় গোলকের জন্য প্রতি একক আয়তনে বলরেখার সংখ্যা সমান হবে।
