চিত্রে,
ও'মের সূত্রটি হলো- তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে যে তড়িৎ প্রবাহ চলে তা ঐ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।
দূরে তড়িৎ প্রেরণের সময় তড়িৎ শক্তির অপচয় কমানোর জন্য ভোল্টেজ পরিবর্তন করা হয়। একটি তড়িৎ পরিবাহীর নির্দিষ্ট রোধ থাকে। এর মধ্য দিয়ে যদি বেশি তড়িৎ প্রবাহ যায় তাহলে সূত্রানুসারে তড়িৎ শক্তির অপচয় হয়। যদি ভোল্টেজ বাড়ানো হয়, তাহলে তড়িৎ প্রবাহের মান কমে যায়। ফলে তড়িৎ শক্তির অপচয়ও কম হয়। তাই অপচয় কমাতেই ভোল্টেজ পরিবর্তন করা হয়।
দেওয়া আছে,
বর্তনীতে ও সমান্তরালে যুক্ত। ও এর তুল্যরোধ
হলে,
বা,
বা,
বা,
এখন, ও শ্রেণি সমবাসে যুক্ত। সুতরাং বর্তনীর তুল্যরোধ
হলে,
এখানে, বর্তনীর তুল্যরোধ [গ হতে প্রাপ্ত]
বর্তনীর বিভব পার্থক্য, V=12V
∴ বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ,
‘গ’ হতে পাই,
ও এর তুল্যরোধ,
ও C বিন্দুর বিভব,
এর তড়িৎ প্রবাহ,
এবং এর তড়িৎ প্রবাহ,
ও রোধকের তড়িৎ প্রবাহের সমষ্টি,
এখন, C ও D বিন্দুর বিভব,
রোধকের তড়িৎ প্রবাহ,
সুতরাং ও রোধকের তড়িৎ প্রবাহের সমষ্টি বর্তনীর রোধকের তড়িৎ প্রবাহের সমান।
