সার্কিট ব্রেকার একটি নিরাপত্তামূলক কৌশল যা বর্তনীতে নির্দিষ্ট মানের অধিক তড়িৎ প্রবাহিত হলে বর্তনীর তড়িৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
আমরা জানি, পরিবাহীর রোধ , এখানে হলো পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ, L হলো পরিবাহীর দৈর্ঘ্য এবং A হলো পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল কোনো তারকে টেনে দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে তার প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল অর্ধেক হয়ে যায়। কিন্তু আয়তন অপরিবর্তিত থাকে। এখন দৈর্ঘ্য 2 গুণ করা হলে যদি প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল হয় তবে,
সুতরাং রোধ
সুতরাং রোধ বৃদ্ধি পাবে অর্থাৎ, পূর্বের রোধের 3 গুণ।
এখানে, ও সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত। এদের তুল্যরোধ
হলে,
বা,
বা,
বর্তনীতে খোলা থাকায় রোধের মধ্য দিয়ে কোনো তড়িৎ প্রবাহিত হবে না।
এখন, ও শ্রেণিতে যুক্ত,
∴ বর্তনীর তুল্যরোধ
‘গ’ হতে পাই, বর্তনীর তুল্যরোধ, .
এখানে,
তড়িচ্চালকশক্তি,
ও এর তুল্যরোধ,
[গ থেকে]
বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ I হলে,
এর ক্ষমতা হলে,
ও এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য হলে,
এখন, এর ক্ষমতা
অর্থাৎ,
সুতরাং ও এর মান সমান হলেও তাদের তড়িৎ ক্ষমতা ভিন্ন ।
