সলিনয়েড: যদি শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করতে হয় তাহলে অপরিবাহী আস্তরণ দিয়ে ঢাকা তার দিয়ে অনেক বার পেঁচিয়ে একটা কুণ্ডলী বা কয়েল তৈরি করা হয়। এরকম কুণ্ডলীকে সলিনয়েড বলে।
ডিজিটাল সিগন্যাল এনালগ সিগন্যাল থেকে পৃথক হওয়ার কারণ:
অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তনশীল ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয় অপরদিকে ডিজিটাল সংকেতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মান গ্রহণ করা হয়।তাছাড়া, অধিক দূরত্বে অ্যানালগ সংকেতের ক্ষমতা কমলেও ডিজিটাল সংকেতের জন্য ক্ষমতা একই থাকে। সর্বোপরি, অ্যানালগ সংকেত প্রবাহের সময় এর মান বিবর্ধিত হয় না কিন্তু ডিজিটাল সংকেতের মান বিবর্ধিত হয়।
এখানে,
মুখ্য কুন্ডোলীর বিভব,
মুখ্য কুন্ডোলীর রোধ,
গৌণ কুন্ডোলীর রোধ,
গৌণ কুন্ডোলীর বিভব, ?
আমরা জানি,
বা,
আবার, ................. (i)
বা, [ i নং থেকে]
বা,
বা,
বা,
সুতরাং, চিত্র: ১ অনুসারে গৌণ কুশুলীর বিভব,
উদ্দীপকের ২নং চিত্রটি একটি p-n জংশন ডায়োড।
এটি একমুখীকারক হিসাবে কাজ করে অর্থাৎ AC কে DC-তে রূপান্তর করে। p-n জংশন ডায়োডের 'p প্রান্ত কোষের ধনাত্মক প্রান্তের সাথে এবং n প্রান্ত কোষের ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে তখন n টাইপ অর্ধপরিবাহীর ইলেকট্রনগুলো কোষের ঋণাত্মক প্রান্তের বিকর্ষণে p টাইপ অর্ধপরিবাহীতে এবং p টাইপ অর্ধপরিবাহীর হোল কোষের ঋণাত্মক প্রান্তের আকর্ষণে n টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিবাহিত হয়। অর্থাৎ p-n জংশন ডায়োডের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলে। কিন্তু p-n জংশন ডায়োডকে যদি কোষের সাথে উল্টো করে সংযুক্ত করা হয় তখন p-n জংশন ডায়োডের p প্রান্ত ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্ত এবং n প্রান্ত ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে সংযুক্ত করা হয়। তখন ডায়োডের মধ্য দিয়ে তড়িৎ পরিবাহিত হয় না।
অর্থাৎ p-n জংশন ডায়োডটি একদিকে তড়িৎ প্রবাহে অনুমতি দেয় তথা একমুখী কারক হিসাবে কাজ করে।
অতএব, ২নং চিত্রটি বর্তনীতে সংযুক্ত করলে ইহা AC কারেন্টকে DC কারেন্টে রূপান্তর করে।
