A. Nayan
A. Nayan
27 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মেয়ের বয়স যে…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ২য় অধ্যায় : ফুলের বিবাহ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

মেয়ের বয়স যে পনেরো, তাই শুনিয়া মামার মন ভার হইল। বংশে তো কোনো দোষ নাই? না, দোষ নাই- বাপ কোথাও তার মেয়ের যোগ্য বর খুঁজিয়া পান না। একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ, কাজেই বাপ কেবলই সবুর করিতেছেন- কিন্তু মেয়ের বয়স সবুর করিতেছে না।

উত্তর:

'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা ফুলের বিয়ে ছিল।

উত্তর:

গোলাব উচ্চ বংশের হওয়ায় তার গৌরব অধিক।
জাতভেদ প্রথা আমাদের একটা সামাজিক সমস্যা। এই সমস্যা সমাজের প্রতিটি রন্দ্রে মিশে মানুষকে বিভক্ত করে দেয়। অর্থবিত্ত ও সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে কেউ উচ্চ বংশের, কেউবা আবার নিম্ন বংশের। 'ফুলের বিবাহ' গল্প অনুসারে বংশগত বিচারে গোলাব ফুল হলো উচ্চ বংশের। তার রূপ ও রং অপূর্ব। আর তাই তার এত গৌরব। এখানে মানুষের বংশীয় গৌরবকে প্রতীকায়িত করা হয়েছে।

উত্তর:

উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার মানসিক অবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছে।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা ফুলের বিয়ে প্রসঙ্গে উঠে এসেছে যৌতুকপ্রথার কথা। আমাদের সমাজে প্রচলিত এই প্রথা কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার জীবনযাপন দুর্বিষহ করে তোলে। লেখক ফুলের বিয়ে দিতে গিয়েও প্রচলিত এ যৌতুকের কথা তুলে ধরছেন।
উদ্দীপকে মেয়ের বাবা চাহিদামতো মেয়ের বর খুঁজে পাচ্ছেন না। কারণ অনেক বেশি যৌতুক দিয়ে মেয়ে বিয়ে দেওয়ার মতো সামর্থ্য তার নেই। তাই তিনি কেবলই সবুর করছেন। 'ফুলের বিবাহ' গল্পেও অনুরূপ চিত্র দেখতে পাই। দরিদ্র বাবার কয়েকজন বিবাহযোগ্য মেয়ে। তিনি উপযুক্ত যৌতুকের অভাবে মেয়েদের বিয়ে দিতে পারছেন না। তাই তিনি কেবল সবুর করছেন। ভালো পাত্র পেলেও তিনি মেয়ে বিয়ে দিতে পারছেন না। কারণ ভালো পাত্রের দেখা মিললেও সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়ায় যৌতুক নামের হিংস্র ও লোভী হাঙরের, যা প্রত্যেক বাবার কপালে দুশ্চিন্তার রেখা ফুটিয়ে তোলে।

উত্তর:

"উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক প্রতিফলন মাত্র" উক্তিটি যথার্থ। কারণ উদ্দীপকে যোগ্য বর খোঁজার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে যা আলোচ্য গল্পের একটি বিষয়।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে প্রধান চরিত্র হচ্ছে ক্ষুদ্র বৃক্ষ, যিনি কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা। তিনি তার মেয়ে মল্লিকার জন্য উপযুক্ত বর খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং অবশেষে একটি ভালো সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হন। এই বিয়ের ধারাবাহিকতায় যৌতুকপ্রথাসহ একটি পূর্ণাঙ্গ বিয়ের চিত্র পাওয়া যায় এ গল্পে।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে লেখক যৌতুকের পাশাপাশি বিভিন্ন ফুলের নাম, পরিচয়, গন্ধ, ফোটার সময় প্রভৃতির অন্তরালে বাঙালি মেয়েদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এমনিভাবে হাস্যরসের মাধ্যমে জীবনের অনেক বাস্তবতার ছবি এখানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। বর-কনেকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংস্কার, রসিক ঘটকের উপস্থিতিও বিদ্যমান রূপকের অন্তরালে। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু একটি দিকই উপস্থিত হয়েছে। আর সেটা হলো যৌতুক এবং এর কুপ্রভাব। যৌতুক একজন কন্যাদায়গ্রস্ত বাবার জন্য কত কষ্টকর তা এখানে ফুটে উঠেছে।
'ফুলের বিবাহ' গল্পটি বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গের সম্মিলনে একটি পূর্ণাঙ্গ গল্পে রূপ নিয়েছে। এখানে সমাজের নানা অসংগতি, হাসি-আনন্দ, বিরহ, অসহায়ত্ব সবকিছুর সংমিশ্রণ ঘটেছে। কিন্তু উদ্দীপকে মাত্র অসহায়ত্বের দিকটি ফুটে উঠেছে। তাই একথা বলা যায় যে, বিষয়বস্তুর বৃহৎ পরিসর বিবেচনায় উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক প্রতিফলন মাত্র।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মেয়ের বয়স যে…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”