A. Nayan
A. Nayan
27 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রহনপুর গ্রামের মেয়ে…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ২য় অধ্যায় : ফুলের বিবাহ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

রহনপুর গ্রামের মেয়ে নাসিমা বেগম। ছোটবেলায় স্বামী মারা যাওয়ায় আর শ্বশুরবাড়ি তার যাওয়া হয়নি। মাঝবয়সি এই মহিলা এখন ঘটকালির কাজ করেন। গ্রামের বিবাহযোগ্য মেয়েদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কন্যার পিতাকে সুপাত্রের সন্ধান দেন এবং বিবাহ সম্বন্ধ স্থাপন করতে সাহায্য করেন। এজন্য তিনি অবশ্য কন্যার পিতার কাছ থেকে শাড়ি কাপড় ও অর্থসম্পদ গ্রহণ করেন।

উত্তর:

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নসীবাবুর বাগানে বসে একটি বিবাহ দেখলেন।

উত্তর:

স্থলপদ্মকে উদ্যানের রাজা বলা হয়েছে, কারণ তার ঘর খুব উঁচু।
'ফুলের বিবাহ' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি হাস্যরসাত্মক রচনা। বিবাহের মাস বৈশাখের প্রথম দিনে নসীবাবুর বাগানে বসে লেখক কল্পনায় ফুলের বিয়ে দেখেছেন। সেখানে মল্লিকা ফুলের বিয়ের জন্য উদ্যানের রাজা স্থলপদ্মের সাথে সম্বন্ধের কথা বলা হচ্ছিল। তবে স্থলপদ্ম অনেক বড়ো ঘর বা উচ্চবংশীয় ফুল। তাই স্থলপদ্মের সাথে মল্লিকা ফুলের বিয়ে হয়নি। আসলে এখানে স্থলপদ্মকে ফুলের মধ্যে উচ্চ শ্রেণির বিবেচনা করা হয়েছে। বুনো ফুলের মতো অনাদর-অবহেলায় বড় নয়। তাই স্থলপদ্মকে উদ্যানের রাজা বলা হয়েছে।

উত্তর:

উদ্দীপকের নাসিমা বেগমের সঙ্গে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ঘটক ভ্রমরের সাদৃশ্য রয়েছে।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে লেখক মানুষের বিয়ে ও সামাজিক রীতি-নীতিকে প্রকৃতির রূপকে তুলে ধরতে গিয়ে বিভিন্ন চরিত্রের অবতারণা করেছেন। বাঙালি সংস্কৃতিতে বিয়ের জন্য মধ্যস্থকারী ঘটকের দরকার হয়। ফুলের বিয়ে দিতে গিয়ে লেখক ভ্রমরকে ঘটক হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে মল্লিকা-কলি ও গোলাবের সম্বন্ধের মধ্যস্থতাকারী ঘটকরাজ ভ্রমর। ফুল সমাজে ঘটক হিসেবে ভ্রমরের রয়েছে ব্যাপক সুনাম। অসাধারণ কৌশলে গুনগুন আওয়াজে ভ্রমর তার ঘটকালি সম্পাদন করেছে। উচ্চবংশীয় গোলাবের সঙ্গে ভ্রমরের দক্ষতার গুণে মল্লিকা ফুলের বিয়ে হয়। তবে ঘটক এজন্য তার পারিশ্রমিক হিসেবে মধু নিয়েছে। উদ্দীপকের নাসিমা বেগম অল্প বয়সে স্বামী হারিয়ে ঘটকের কাজ নিয়েছেন। গ্রামের বিবাহযোগ্য মেয়েদের বাড়িতে গিয়ে তিনি কন্যার পিতাদের সৎ পাত্রের সন্ধান দিয়ে সম্বন্ধ স্থাপনে সহায়তা করেন। তবে এজন্য তিনি পারিশ্রমিক হিসেবে শাড়ি কাপড় ও নগদ অর্থসম্পদ গ্রহণ করেন। সুতরাং নাসিমা বেগমের ঘটকালির সাথে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ভ্রমরের ঘটকালির সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর:

ভ্রমর রাজের ঘটকের দায়িত্ব পালনের একটি মাত্র বিষয় প্রকাশ পাওয়ায় "উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের একটিমাত্র বিষয়কে প্রকাশ করে" মন্তব্যটি যথার্থ।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে লেখক মল্লিকা ফুলের বিয়ের যোগ্য কলির জন্য বাঙালি সংস্কৃতিতে প্রচলিত সমস্ত রীতিনীতি মেনে সামনে অগ্রসর হয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বর-কনের সাথে সাথে বিয়েতে যুক্ত তাদের পরিবার, পাড়া-প্রতিবেশী, ঘটক সবার কথাই উঠে এসেছে এ গল্পে।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে কন্যাভারগ্রস্ত মল্লিকাবৃক্ষ পাত্র নির্বাচনের চিন্তায় উদ্বিগ্ন। পাত্র হিসেবে কেউ বংশীয় কারণে, কেউ রাগ-দেমাগের কারণে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন সময় ঘটক ভ্রমর তার চিন্তা লাঘব করে দেয়। তবে ঘটক পারিশ্রমিক হিসেবে মধু নেওয়ার কথাও স্পষ্ট করেছে। ভ্রমরের মতো উদ্দীপকের নাসিমা বেগমও অল্প বয়সে স্বামী হারিয়ে পেশা হিসেবে তিনি ঘটকালিকে বেছে নেন। কন্যাভারগ্রস্ত পিতামাতাকে সৎপাত্রের সন্ধান দিয়ে সম্বন্ধ করতে সাহায্য করেন। এর বিনিময়ে তিনি নগদ অর্থ ও শাড়ি পারিশ্রমিক নেন।
উদ্দীপকের নাসিমা বেগমের 'কর্মকাণ্ডে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের ঘটক ভ্রমরের কর্মকাণ্ডের দিকটি ফুটে উঠেছে, যা এ গল্পের একটিমাত্র দিক। এছাড়া এ রচনায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পাত্র-পাত্রী মল্লিকা ফুল ও গোলাবের বিয়ের অনুষ্ঠান, সাজসজ্জা, দায়িত্বপ্রাপ্ত পতঙ্গ মৌমাছি, পিঁপড়া, জোনাকির বিষয়, মল্লিকাবৃক্ষের প্রতিবেশী যূথী, মৌরী, গন্ধরাজ, রজনিগন্ধা, বরযাত্রী জবা ফুলের বংশ ইত্যাদি প্রসঙ্গ উপস্থাপন করেছেন, যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। বঙ্কিমচন্দ্রের দিব্যকর্ণপ্রাপ্তির কথা, নসীবাবুর মেয়ে কুসুমলতার প্রসঙ্গও উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের একটিমাত্র বিষয়কে প্রকাশ করে।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রহনপুর গ্রামের মেয়ে…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”