Admin
Admin
27 May 2026 (4 months ago)

সৃজনশীলঃ ‘শৈশবে সড়ক দুর্ঘটনায়…’ যশোর বোর্ড ২০২৪ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ২য় অধ্যায় : ফুলের বিবাহ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ২২🏫 বোর্ড: যশোর বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

শৈশবে সড়ক দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে সাবিনা। বাবা-মা তাকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন। পড়াশোনা করে সে আজ – দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষক। সে এখন সমাজের বোঝা নয়, সম্পদ।

উত্তর:

সুভা নির্জন দ্বিপ্রহরের মতো শব্দহীন এবং সঙ্গীহীন।

উত্তর:

সুভা বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় তার কথা বিবেচনা করে পিতা-মাতার মনে সে সর্বদাই জাগরুক ছিল।
সুভা বাক্প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই সে কথা বলতে পারে না। এই ত্রুটির কারণে সবাই তার সামনেই দুশ্চিন্তা প্রকাশ করত। ফলে সে নিজেকে বিধাতার অভিশাপ মনে করত এবং সবার কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করতে চাইত। তার কথা বলতে না পারা পিতা-মাতার বেদনার কারণ ছিল। আর বেদনা কেউ কখনো ভুলে যেতে পারে না। তাই সে সর্বদাই পিতা-মাতার মনে জাগরুক ছিল।

উত্তর:

উদ্দীপকের সাবিনার সঙ্গে সুভার বৈসাদৃশ্য হলো কাছের মানুষদের অবজ্ঞা ও অসহযোগিতাপূর্ণ আচরণ।
'সুভা' গল্পের সুভা বাক্প্রতিবন্ধী। তাই তার মা তাকে গর্ভের কলঙ্ক মনে করে বিরক্ত ছিলেন। সুভার বাবা তাকে ভালোবাসলেও তার বিকাশের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেননি। পিতামাতার হৃদয়ভার ছিল সে। সুভা সবার আচরণে নিজেকে বিধাতার অভিশাপ ভেবে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে চাইত।
উদ্দীপকে বর্ণিত সাবিনা সড়ক দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। অথচ এতে তার জীবন থেমে থাকেনি। বাবা-মা তাকে প্রতিবন্ধী স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলে সে পড়াশোনা করে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ পেরেছে। সাবিনার জীবনের এই ঘটনা 'সুভা' গল্পের সুভার সঙ্গে মেলে না। সুভা জন্ম থেকেই কথা বলতে পারে না। তাই সে সবার কাছে উপেক্ষিত হয়েছে। তার জীবনটাকে সুন্দরভাবে পরিচালিত করার কোনো পথ তাকে কেউ বাতলে দেয়নি। এমনকি তার মা-বাবাও নয়। বরং সবার কাছ থেকে সে অবহেলা পেয়েছে। আর এখানেই উদ্দীপকের সাবিনার সঙ্গে তার বৈসাদৃশ্য।,

উত্তর:

"সুভা' গল্পে সুভার বাবা-মা যদি উদ্দীপকের সাবিনার বাবা-মায়ের মতো হতো তাহলে সুভাকে গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় যেতে হতো না", কেননা তাহলে সুভা আত্মপ্রতিষ্ঠিত হতো এবং বিয়ে করার জন্য কলকাতা না গেলেও চলত- তাই মন্তব্যটি যথার্থ।

'সুভা' গল্পে বাক্‌প্রতিবন্ধী সুভা ছিল অবজ্ঞাত ও অবহেলিত। তার বাবা-মায়ের হৃদয়ভার ছিল সে। মা তাকে নিজের ত্রুটিম্বরূপ দেখতেন এবং গর্ভের কলঙ্ক ভেবে বিরক্ত ছিলেন। পরিবার ও সমাজের অবজ্ঞা পেয়ে সুভা বিকশিত হয়নি।
উদ্দীপকে সড়ক দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারানো সাবিনার সফল জীবনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। দৃষ্টি হারিয়ে সাবিনাকে থেমে থাকতে হয়নি। বাবা-মায়ের সহযোগিতায় সে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। সে সমাজের বোঝা হয়ে থাকেনি। আর 'সুভা' গল্পে সুভাকে পরিবার ও সমাজের অনেক অবজ্ঞা, অবহেলা ও যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছে। তার বাবা-মা তাকে সহযোগিতা করেনি। তারা যদি তার প্রতি সহানভূতিশীল হয়ে তার পড়াশোনার ব্যবস্থা করত অথবা অন্য উপায়ে তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করত, তবে তার জীবন অন্য রকম হতো। সমাজের বোঝা হয়ে তাকে এতটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হতো না।
'সুভা' গল্পে জন্ম থেকেই কথা বলতে না। যে নির্বাক প্রকৃতিকে সে তার পরম বন্ধু ভেবেছিল, তাকে ছেড়েও শেষ পর্যন্ত চলে যেতে হতো না। সুভাও উদ্দীপকের সাবিনার মতো হতে পারত। তাই সুভার জীবনের এই করুণ পরিণতির দায় তার একার নয়, পরিবার ও সমাজেও। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শৈশবে সড়ক দুর্ঘটনায়…’ যশোর বোর্ড ২০২৪ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”