(i) জুয়োপ্লাঙ্কটন → ছোট মাছ → বড় মাছ
(ii) শৈবাল → জুয়োপ্লাঙ্কটন → ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজপাখি
(iii) ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজপাখি।
পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাই হলো জীববৈচিত্র্য।
স্বপরাগায়ন ও পর পরাগায়নের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
উদ্দীপকে উল্লিখিত (iii) নং খাদ্য শৃঙ্খলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শৃঙ্খল। শিকলটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শৃঙ্খল হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
উদ্দীপক অনুযায়ী (iii) নং খাদ্য শিকল একটি শিকারজীবী খাদ্যশিকল। এরূপ খাদ্য শিকলে একটি জীবের উপর আরেক ধরনের ক্ষুদ্রতর-জীব তার খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল হয়। এই খাদ্য শিকলের প্রথমে সবুজ উদ্ভিদ বা কোনো উৎপাদক নেই। সেক্ষেত্রে এরূপ শিকলটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। খাদ্য শিকলটিতে, ছোট মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বড় মাছ এবং বড় মাছকে আবার বাজপাখি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে এ খাদ্য শিকলের শুরুতে কোনো উৎপাদক নেই।
তাই উদ্দীপকের (iii) নং খাদ্যশিকলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শিকল।
খাদ্যশিকলে স্তরের সংখ্যা যত বেশি হবে শক্তির অপচয় তত বেশি হবে। উদ্দীপকে উল্লিখিত (i) ও (ii) নং খাদ্য শিকলের মধ্যে (ii) নং এ শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি হবে। সাধারণত খাদ্যশৃঙ্খলে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তি প্রবাহকালে শ্বসন, তাপ ইত্যাদির কারণে শক্তি ব্যয় হবে। (ii) নং খাদ্যশৃঙ্খলে পাঁচটি খাদ্যস্তর আছে। এখানে শৈবালকে জুয়োপ্ল্যাঙ্কটন ভক্ষণ করে। জুয়োপ্ল্যাঙ্কটনকে ছোট মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, ছোট মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বড় মাছ, আবার বড় মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বাজপাখি। এখানে পাঁচটি স্তরে চারবার শক্তির অপচয় হয়। তাই এই শৃঙ্খলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে (i) নং শৃঙ্খলে খাদ্যের স্তর তিনটি। তাই এখানে শক্তির অপচয় হবে দুইবার। এ শৃঙ্খলে শক্তির অপচয় তাই সবচেয়ে কম হবে।
কাজেই উপরের বিশ্লেষণ থেকে বলা যায় যে, (ii) নং খাদ্যশৃঙ্খলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি হবে।
