A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘শৈবাল → জুপ্ল্যাংকটন…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫ – জীবের পরিবেশ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১২তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

শৈবাল → জুপ্ল্যাংকটন → ছোটমাছ → বড়মাছ → বাজপাখি।

উত্তর:

বাস্তুতন্ত্র হলো জীব (উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব) ও তাদের পরিবেশের মধ্যে আন্তঃসম্পর্কের একটি ব্যবস্থা, যা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে।

উত্তর:

বাস্তুতন্ত্রে বিয়োজক হলো ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি অতিক্ষুদ্র জীব বা অণুজীব। বাস্তুতন্ত্রে বিয়োজক উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ ও মৃত দেহ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহকে বিয়োজিত করে জৈব ও অজৈব পদার্থে পরিণত করে। এ কারণে বিয়োজক প্রাণীগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর:

উদ্দীপকের খাদ্য শিকলটি হলো-
শৈবাল → জুপ্ল্যাংকটন → ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজপাখি

খাদ্যশিকলটির সাথে আরো তিনটি খাদ্য শিকল নিয়ে একটি খাদ্যজাল নিচে তৈরি করা হলো-

উত্তর:

উদ্দীপকের প্রথম উপাদানটি হলো শৈবাল বা উৎপাদককে
বোঝানো হয়েছে। উৎপাদকের বা শৈবালের অনুপস্থিতিতে বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেমটি চলমান থাকা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে বাস্তুতন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের প্রভাব পড়বে। নিচে তা যুক্তিসহকারে মতামত দেওয়া হলো-যেকোনো বাস্তুতন্ত্রের শক্তির মূল উৎস সূর্য। সূর্যের আলো ও তাপশক্তি হতে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপাদক বাস্তুতন্ত্রের পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য প্রাথমিকভাবে উৎপন্ন শর্করায় রাসায়নিক শক্তি হিসেবে মজুদ করে। বিভিন্ন প্রকার খাদ্য শিকলের মাধ্যমে উদ্ভিদে জমা হওয়া এই শক্তি বিভিন্ন খাদ্যন্তরে পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত বিয়োজকের কাজের ফলে শক্তি পরিবেশে ফিরে আসে। তৃণভোজী প্রাণীরা অর্থাৎ বাস্তুতন্ত্রের প্রথম স্তরের খাদকেরা উৎপাদকের পাতা, কাণ্ড, ফুল, ফল, বীজ বা মূল খেয়ে জীবনধারণ করে। মাংসাশী প্রাণী যারা প্রথম স্তরের খাদকদের খেয়ে বাঁচে তারা দ্বিতীয় স্তরের খাদক। দ্বিতীয় স্তরের খাদক থেকে রাসায়নিক শক্তি খাদ্য আকারে তৃতীয় স্তরের খাদকে পৌছে। যদি তৃতীয় স্তরের খাদককে আরও উচ্চতর কোনো খাদক খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তবে একই প্রক্রিয়ায় শক্তি সর্বোচ্চ স্তরের খাদকে পৌঁছে। সব জীবের মৃত্যুর পর তার শক্তি গ্রহণ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায় তখন ঐ মৃতদেহে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি বিয়োজকের কাজের ফলে ভেঙে জড় পদার্থ বা শক্তি আকারে পরিবেশে ফিরে আসে। পরিবেশের বিভিন্ন জড় বস্তুর মধ্যে জমা হওয়া এই শক্তি তখন আবার উদ্ভিদের গ্রহণের উপযোগী হয়।
সুতরাং বলা যায় যে, শৈবাল বা উৎপাদকের অনুপস্থিতিতে বাস্তুতন্ত্রটি চলমান থাকা অসম্ভব।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘শৈবাল → জুপ্ল্যাংকটন…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫ – জীবের পরিবেশ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”