A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ঢাকা বোর্ড ২০২২ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১১তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০২২⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ করো-

উত্তর:

যে প্রক্রিয়ায় অনুকূল বা অভিযোজনমূলক প্রকরণ সমন্বিত জীবেরা অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বেশি সুযোগ সুবিধা ভোগ করে, সেই প্রক্রিয়াকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলে।

উত্তর:

থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্তকণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম। এ রোগে লোহিত রক্তকণিকাগুলো নষ্ট হয়। ফলে রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে। এ রোগ বংশপরম্পরায় হয়ে থাকে। এটি একটি অটোজোমাল রিসিসিভ ডিজঅর্ডার, অর্থাৎ বাবা ও মা উভয়েই এ রোগের বাহক বা রোগী হলে তবেই তা সন্তানে রোগ লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পায়।

উত্তর:

উদ্দীপকে চিত্র 'P' হলো ক্রোমোজোম এবং এর প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো DNA। নিচে DNA অণুর রাসায়নিক গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
পলিনিউক্লিওটাইডের দুটি শিকল সিঁড়ির মতো পেঁচিয়ে DNA অণু একটি বিশেষ গঠন সৃষ্টি করে। প্রতিটি নিউক্লিওটাইড আবার তিন ধরনের অণু নিয়ে গঠিত। যথা- ডি-অক্সিরাইবোজ শর্করা, একটি ফসফেট গ্রুপ এবং একটি নাইট্রোজেন বেস। নাইট্রোজেন বেস পিউরিন এবং পাইরিমিডিন ধরনের। DNA অণুতে পিউরিন বেস দু'প্রকার। যথা- এডিনিন (A) এবং গুয়ানিন (G)। পাইরিমিডিন বেসও দু'প্রকার। যথা- থায়ামিন (T) এবং সাইটোসিন (C)। এক অণু ডি-অক্সিরাইবোজ শর্করা ও এক অণু নাইট্রোজেন বেস মিলে এক অণু নিউক্লিওসাইড গঠন করে। এর সাথে একটি অজৈব ফসফেট যুক্ত হয়ে একটি নিউক্লিওটাইড গঠিত হয়। এরূপ একাধিক নিউক্লিওটাইড যুক্ত হয়ে পলিনিউক্লিওটাইড সৃষ্টি হয়। এভাবে দুটি পলিনিউক্লিওটাইড সূত্র পাশাপাশি যুক্ত হয়ে গঠিত হয় DNA অণু। এক্ষেত্রে সূত্র দুটির একটি এডিনিন অন্যটির থায়ামিনের সঙ্গে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনীর মাধ্যমে যুক্ত থাকে (A = T)। আবার একটি সূত্রের গুয়ানিন অন্য সূত্রের সাইটোসিসের সঙ্গে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা যুক্ত থাকে (G = C)।

উত্তর:

উদ্দীপকে চিত্র-'P' এবং চিত্র-'Q' দ্বারা মানুষের সেক্স ক্রোমোজোম (XX এবং XY) কে বুঝানো হয়েছে। সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে 'P' ও 'Q' অর্থাৎ সেক্স ক্রোমোজোমের ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬টি বা ২৩ জোড়া। এর মধ্যে ৪৪ টিকে বা ২২ জোড়াকে অটোজোম এবং এক জোড়াকে সেক্স ক্রোমোজোম বলা হয়। সেক্স ক্রোমোজোম দুটি X এবং Y নামে পরিচিত। জীবের লিঙ্গ নির্ধারণে এই সেক্স ক্রোমোজোম মুখ্য ভূমিকা পালন করে। স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজোমই X ক্রোমোজোম অর্থাৎ XX। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X এবং অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY। স্ত্রীলোকদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু সৃষ্টির সময় যখন মিয়োসিস বিভাজন ঘটে তখন প্রতিটি ডিম্বাণু অন্যান্য ক্রোমোজোমের সাথে একটি X ক্রোমোজোম লাভ করে। অপরপক্ষে, পুরুষে শুক্রাণু সৃষ্টির সময় অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে X এবং অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে Y ক্রোমোজোম লাভকরে। ডিম্বাণু পুরুষের X বা Y ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে পারে। ফলে জাইগোটটি দু'টি X অথবা একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হতে পারে। দুটি X নিয়ে যে শিশু জন্মাবে সে হবে একটি মেয়ে (XX) আর যে শিশু একটি X এবং একটি Y অর্থাৎ XY নিয়ে জন্মাবে সে হবে একটি ছেলে (XY)।
এভাবেই ক্রোমোজোমের মাধ্যমে লিঙ্গ নির্ধারিত হয় অর্থাৎ লিঙ্গ নির্ধারণে ক্রোমোজোম গরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ঢাকা বোর্ড ২০২২ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”