A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০২৩ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১১তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: সিলেট বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

সমসংস্থ ক্রোমোজোম জোড়ের নির্দিষ্ট লোকাসে অবস্থানকারী নির্দিষ্ট জিন জোড়ার একটিকে অপরটির অ্যালিল বলে।

উত্তর:

গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়। তিনি তার গির্জার বাগানে মটরশুঁটি উদ্ভিদ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেন। এ গবেষণা থেকে তিনি বংশগতিবিদ্যার দুইটি সূত্র প্রকাশ করেন। সূত্র দুইটি এখনও যথাযথ বলে সর্বজনস্বীকৃত। এ বিশেষ অবদানের কারণেই মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের A চিত্রটি হলো DNA। নিচে DNA এর গঠন বর্ণনা করা হলো-
DNA দ্বিসূত্রবিশিষ্ট পলিনিউক্লিওটাইডের সর্পিলাকার গঠন। এর একটি সূত্র অন্যটির পরিপূরক। DNA তে পাঁচ কার্বনযুক্ত শর্করা, নাইট্রোজেনঘটিত বেস ক্ষার (এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থাইমিন) এবং অজৈব ফসফেট থাকে। এ তিনটি উপাদানকে একত্রে নিউক্লিওটাইড বলে। DNA তে বিদ্যমান নাইট্রোজেন বেসগুলো দুই ধরনের। যথা- পিউরিন ও পাইরিমিডিন। এডিনিন (A) ও গুয়ানিন (G) বেস হলো পিউরিন এবং সাইটোসিন (C) ও থায়ামিন (1) বেস হলো পাইরিমিডিন। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অন্য সূত্রের থায়ামিন (T) এর সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা যুক্ত (A = T) থাকে এবং এক সূত্রের গুয়ানিন (G) অন্য সূত্রের সাইটোসিনের (C) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা যুক্ত (G = C) থাকে। অর্থাৎ এ বন্ধন সর্বদা পিউরিন ও পাইরিমিডিনের মধ্যে হয়ে থাকে। সুতরাং দুটি সূত্রের একটি অন্যটির পরিপূরক কিন্তু এক রকম নয়। হেলিক্সের প্রতিটি ঘূর্ণন ৩৪Å দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট এবং একটি পূর্ণ ঘূর্ণনের মধ্যে ১০টি নিউক্লিওটাইড থাকে। সুতরাং পার্শ্ববর্তী দু'টি নিউক্লিওটাইডের দূরত্ব ৩.৪Å। DNA ডাবল হেলিক্সের ব্যাস সর্বত্র ২০Å। DNA এর দুটি পলি নিউক্লিওটাইড সূত্র বিপরীতভাবে অবস্থান করে।

উত্তর:

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগতি রোগ। বাবা-মা এ রোগের বাহক হলে তাদের শিশু বা সন্তানেরা সুস্থ, বাহক কিংবা অসুস্থ হতে পারে। শিশুদের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া জিন যদি বাবা-মা উভয় থেকেই আসে তবে সে শিশু অসুস্থ বা থ্যালাসেমিয়া মেজর হয়। আবার, যদি একটি থ্যালাসেমিয়া জিন বাবা অথবা মা থেকে শিশুর মধ্যে আসে তবে সে শিশু বাহক বা মাইনর থ্যালাসেমি হয় আর যদি শিশুর মধ্যে বাবা-মা থেকে কোনো থ্যালাসেমিয়া জিন না আসে তবে সে শিশু সুস্থ হয়। উদ্দীপকের চিত্র-B কে চেকার বোর্ডের মাধ্যমে দেখালে সেখানে সুস্থ, অসুস্থ এবং বাহক শিশু জন্মগ্রহণের সম্ভাবনা দেখা যায় নিম্নরূপ-
সুস্থ শিশু (mm) : ১ জন
বাহক শিশু (Mm) : ২ জন
অসুস্থ শিশু (MM) : ১ জন
চেকার বোর্ড শিশুদের ফলাফল

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ সিলেট বোর্ড ২০২৩ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”