A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১১তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ১২🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

এক অণু পাঁচ কার্বণ বিশিষ্ট শর্করা এক অণু নাইট্রোজেন ঘটিত বেস এবং এক অণু এক অণু ফসফেট যুক্ত হয়ে যে যৌগ গঠন করে তাই নিউক্লিওটাইড।

উত্তর:

প্রকৃতিতে প্রতিটি জীবের টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এভাবে সংগ্রামের মাধ্যমে জীবের টিকে থাকা এবং বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টিকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলে। ডারউইনের মতে জীবনসংগ্রামে সেসব প্রাণী সাফল্য লাভ করে যাদের শারীরিক গঠন প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে পরিবর্তিত হয়। তারা পরিবর্তনশীলতায় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে অভিযোজিত গুণগুলো বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত করে বেঁচে থাকে এবং অভিব্যক্তির প্রতিযোগিতায় জয়ী হয় পক্ষান্তরে পরিবর্তনশীলতায় ব্যর্থরা প্রকৃতি কর্তৃক নির্বাচিত হয় না।

উত্তর:

উদ্দীপকের চিত্র X হলো ক্রোমোজোমের প্রধান রাসায়নিক উপাদান DNA। নিচে DNA অণুর গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
DNA ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান। DNA সাধারণত দ্বি-সূত্রকবিশিষ্ট পলিনিওক্লিওটাইডের সর্পিলাকার গঠন। একটি সূত্রক অন্যটির পরিপূরক। এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট শর্করা, নাইট্রোজেনঘটিত বেস ও অজৈব ফসফেট থাকে। এ তিনটি উপাদানকে একত্রে "নিউক্লিওটাইড" বলে। DNA ক্রোমোজোমের স্থায়ী পদার্থ। নাইট্রোজেন বেসগুলো দু'ধরনের। যথা- পিউরিন ও পাইরিমিডিন। এডিনিন (A) ও গুয়ানিন (G) হলো পিউরিন এবং সাইটোসিন (C) ও থায়ামিন (T) বেস হলো পাইরিমিডিন। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অন্য সূত্রের থায়ামিন (T) এর সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা যুক্ত (A = T) থাকে এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অন্য সূত্রের সাইটোসিনের (C) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা (GC) যুক্ত থাকে। অর্থাৎ এ বন্ধন একটি পিউরিন ও পাইরিমিডিনের মধ্যে হয়ে থাকে। সুতরাং দুটি সূত্রের একটি অন্যটির পরিপূরক কিন্তু এক রকম নয়। হেলিক্সের প্রতিটি পূর্ণ ঘূর্ণন ৩৪ Å দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট এবং একটি পূর্ণ ঘূর্ণনের মধ্যে ১০টি নিউক্লিওটাইড থাকে। সুতরাং পার্শ্ববর্তী দুটি নিউক্লিওটাইডের দূরত্ব ৩.৪ Å । DNA ডাবল হেলিক্সের ব্যাস সর্বত্র ২০Å ।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র: 'Y' দ্বারা মানুষের ক্রোমোজোমকে বুঝানো হয়েছে। মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে ক্রোমোজোম অর্থাৎ সেক্স ক্রোমোজোমের (XX এবং XY) ভূমিকা অপরিসীম। নিচে মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে সেক্স ক্রোমোজোমের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো-
জীবের লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমকে সেক্স ক্রোমোজোম বলে। সেক্স ক্রোমোজোম দুটি X এবং Y নামে পরিচিত। স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজোমই X ক্রোমোজোম অর্থাৎ XX। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X এবং অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY X এবং Y উভয় ধরনের সেক্স ক্রোমোজোমই আকৃতিতে লম্বা এবং রডের মতো তবে Y ক্রোমোজোম X ক্রোমোজোমের তুলনায় কিছুটা ছোট। স্ত্রীলোকদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু সৃষ্টির সময় যখন মিয়োসিস বিভাজন ঘটে তখন প্রতিটি ডিম্বাণু অন্যান্য ক্রোমোজোমের সাথে একটি X ক্রোমোজোম লাভ করে। অপরপক্ষে পুরুষে শুক্রাণু সৃষ্টির সময় অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে X এবং অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে Y ক্রোমোজোম লাভ-করে। ডিম্বাণু পুরুষের X বা Y ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে পারে। ফলে জাইগোটটি দুটি X অথবা একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হতে পারে। দুটি X নিয়ে যে শিশু জন্মাবে সে হবে একটি মেয়ে অর্থাৎ XX আর যে শিশু একটি X এবং একটি Y অর্থাৎ XY নিয়ে জন্মাবে সে হবে একটি ছেলে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, ক্রোমোজোমই মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”