A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘জুয়েল-মিলির পরিবারে পরপর…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১১তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ২০🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

জুয়েল-মিলির পরিবারে পরপর তিনজন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। জুয়েলের মা কন্যা সন্তানের জন্মের জন্য মিলিকেই দোষারোপ করেন। অপরদিকে, জুয়েলের বড় মেয়ে শেফা ছোটবেলা থেকেই রক্তশূন্যতায় ভুগছে। এটি একটি বংশবাহিত রক্তজনিত সমস্যা। এ কারণে ভাক্তার শেফাকে লৌহ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে নিষেধ করেছেন।

উত্তর:

জিন হলো জীবের সকল দৃশ্য ও অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী একক।

উত্তর:

যখন কেউ কোনো রং সঠিকভাবে চিনতে পারে না, সেটি হচ্ছে কালার ব্লাইন্ডনেস বা বর্ণান্ধতা। রং চেনার জন্য আমাদের চোখের স্নায়ু কোষে রং শনাস্তাকরী পিগমেন্ট থাকে। কালার ব্লাইন্ড অবস্থায় রোগীদের চোখে স্নায়ুকোষের রং শনাক্তকারী পিগমেন্টের অভাব থাকে।

উত্তর:

উদ্দীপকে জুয়েল-মিলি পরিবারে পরপর তিনজন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এ কারণে জুয়েলের মা মিলিকে দোষারোপ করে। মিলিকে দোষারোপ করা ঠিক কিনা নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
জীবের লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমকে সেক্স ক্রোমোজোম বলে। সেক্স ক্রোমোজোম দুটি X এবং Y নামে পরিচিত। স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজোমই X ক্রোমোজোম অর্থাৎ XX। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X এবং অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY। X এবং Y উভয় ধরনের সেক্স ক্রোমোজোমই আকৃতিতে লম্বা এবং রডের মতো তবে Y ক্রোমোজোম X ক্রোমোজোমের তুলনায় কিছুটা ছোট।
স্ত্রীলোকদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু সৃষ্টির সময় যখন মিয়োসিস বিভাজন ঘটে তখন প্রতিটি ডিম্বাণু অন্যান্য ক্রোমোজোমের সাথে একটি X ক্রোমোজোম লাভ করে। অপরপক্ষে পুরুষে শুক্রাণু সৃষ্টির সময় অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে X এবং অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে Y ক্রোমোজোম লাভ করে। ডিম্বাণু পুরুষের X বা Y ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে পারে। ফলে জাইগোটটি দুটি X অথবা একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হতে পারে। দুটি X নিয়ে যে শিশু জন্মাবে সে হবে একটি মেয়ে অর্থাৎ XX আর যে শিশু একটি X এবং একটি Y অর্থাৎ XY নিয়ে জন্মাবে সে হবে একটি ছেলে।
মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে, অর্থাৎ কন্যা বা পুত্রসন্তান জন্ম হওয়ার ব্যাপারে মায়ের আদৌ কোনো ভূমিকা নাই। কারণ মা সবসময় কেবল X, বহনকারী ডিম্বাণু তৈরি করে। অন্যদিকে পিতা X এবং Y দু'ধরনেরই শুক্রাণু উৎপাদন করে লিঙ্গ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
পরিশেষে বলা যায়, কন্যা সন্তান জন্মদানে মিলিকে দোষারোপ করা সঠিক নয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে জুয়েল-মিলি পরিবারে পরপর তিনজন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এ কারণে জুয়েলের মা মিলিকে দোষারোপ করে। মিলিকে দোষারোপ করা ঠিক কিনা নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
জীবের লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমকে সেক্স ক্রোমোজোম বলে। সেক্স ক্রোমোজোম দুটি X এবং Y নামে পরিচিত। স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজোমই X ক্রোমোজোম অর্থাৎ XX। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X এবং অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY। X এবং Y উভয় ধরনের সেক্স ক্রোমোজোমই আকৃতিতে লম্বা এবং রডের মতো তবে Y ক্রোমোজোম X ক্রোমোজোমের তুলনায় কিছুটা ছোট।
স্ত্রীলোকদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু সৃষ্টির সময় যখন মিয়োসিস বিভাজন ঘটে তখন প্রতিটি ডিম্বাণু অন্যান্য ক্রোমোজোমের সাথে একটি X ক্রোমোজোম লাভ করে। অপরপক্ষে পুরুষে শুক্রাণু সৃষ্টির সময় অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে X এবং অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে Y ক্রোমোজোম লাভ করে। ডিম্বাণু পুরুষের X বা Y ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে পারে। ফলে জাইগোটটি দুটি X অথবা একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হতে পারে। দুটি X নিয়ে যে শিশু জন্মাবে সে হবে একটি মেয়ে অর্থাৎ XX আর যে শিশু একটি X এবং একটি Y অর্থাৎ XY নিয়ে জন্মাবে সে হবে একটি ছেলে।
মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে, অর্থাৎ কন্যা বা পুত্রসন্তান জন্ম হওয়ার ব্যাপারে মায়ের আদৌ কোনো ভূমিকা নাই। কারণ মা সবসময় কেবল X, বহনকারী ডিম্বাণু তৈরি করে। অন্যদিকে পিতা X এবং Y দু'ধরনেরই শুক্রাণু উৎপাদন করে লিঙ্গ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
পরিশেষে বলা যায়, কন্যা সন্তান জন্মদানে মিলিকে দোষারোপ করা সঠিক নয়।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘জুয়েল-মিলির পরিবারে পরপর…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”