A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১১তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ২৬🏢 প্রতিষ্ঠান: ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রটি লক্ষ করো-

উত্তর:

ক্রোমোজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাই হলো লোকাস।

উত্তর:

RNA বংশগত উপাদান হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে কিছু ভাইরাসের (যেমন- TMV)-এর ক্ষেত্রে, যেখানে এটি DNA এর পরিবর্তে জেনেটিক কোড বহন করে। সাধারণত RNA মেসেঞ্জার RNA (mRNA) হিসেবে DNA থেকে প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বহন করে এবং রাইবোজোম ও RNA-এর সাহায্যে এই তথ্যকে প্রোটিন শৃঙ্খলে রূপান্তরিত করে। এটি কোষের মধ্যে বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়াকে অনুঘটক করে এবং জিন অভিব্যক্তিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্রটি দ্বারা ক্রোমোজোমের রাসায়নিক উপাদান DNA কে বুঝানো হয়েছে। নিচে DNA-এর প্রতিলিপন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
এ প্রক্রিয়ায় একটি DNA অণু থেকে আর একটি নতুন DNA অণু তৈরি হয় বা সংশ্লেষিত হয়। DNA অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতিতে অনুলিপিত হয়। এ পদ্ধতিতে হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে গিয়ে DNA সূত্র দুটি আলাদা হয় এবং প্রতিটি সূত্র তার পরিপূরক নতুন সূত্র সৃষ্টি করে।

পরে একটি পুরাতন সূত্র ও একটি নতুন সূত্র সংযুক্ত হয়ে পরিপূর্ণ DNA অণুর সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্ট DNA এর প্রতিটিতে অর্ধেক পুরাতন এবং অর্ধেক নতুন সূত্র থাকায় একে অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি বলে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত উপাদানটি হলো ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA। DNA টেস্টের মাধ্যমে কোনো অপরাধীকে নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

বর্তমান বিশ্বে অপরাধ প্রবণতা বেড়েই চলছে। কিন্তু অনেক অপরাধই আছে যেগুলো প্রমাণ করা অনেকটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। যেমন-পিতৃত্বের অস্বীকার ও অংশীদারিত্বের অধিকার। তবে DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজেই এ ধরনের অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব। DNA-এর বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহারিক পদ্ধতি DNA টেস্ট নামে পরিচিত। কোনো অপরাধীকে নির্ভুলভাবে শনাক্তকরণে বর্তমানে DNA টেস্ট সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। DNA টেস্ট সুসম্পন্ন করার জন্য প্রথম প্রয়োজন জৈবিক নমুনা। ব্যক্তির হাড়, দাঁত, চুল, রক্ত, লালা, বীর্য ইত্যাদি বা টিস্যু মূল্যবান জৈবিক নমুনা হতে পারে। অপরাধস্থল কিংবা অপরাধের শিকার এমন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত জৈবিক নমুনার DNA নকশাকে তুলনা করা হয় সন্দেহভাজনের কাছ থেকে নেওয়া রক্ত বা জৈবিক নমুনার DNA নকশার সাথে। যদি অপরাধের শিকার ব্যক্তি থেকে প্রাপ্ত নমুনার সাথে সন্দেহভাজন নমুনার মিল ও অমিল চিহ্নিত করে তুলনা করা হয় তাহলে সহজেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্তকরণ সম্ভব হবে। অর্থাৎ সন্দেহভাজন ব্যক্তি অপরাধী না হলে সে মুক্তি পাবে। কিন্তু অপরাধী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার করার সুযোগ থাকবে। পরিশেষে বলা যায় যে, বর্তমান বিশ্বে DNA টেস্টের মাধ্যমেই নির্ভুলভাবে অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”