নিচের চিত্রটি লক্ষ করো-
প্রক্রিয়া-ক: প্রজাতির বিশুদ্ধতা রক্ষা হয়।
প্রক্রিয়া-খ : প্রজাতির বিশুদ্ধতা রক্ষা হয় না।
বাস্ট ফাইবার বা ফ্লোয়েম ফাইবার ফ্লেরেনকাইমা কোষ সমন্বয়ে তৈরি এক ধরনের দীর্ঘ কোষ, যাদের প্রান্তদেশ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
বাস্তুতন্ত্রে খরগোশ দ্বিতীয় ট্রফিক লেভেলের অংশ। কারণ বাস্তুতন্ত্রে খাদ্যশিকলের প্রতিটি স্তরকে ট্রফিক লেভেল বলে। বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদক প্রথম রা সর্বনিম্ন ট্রফিক লেভেলের প্রতিনিধিত্ব করে এবং তৃণভোজী খাদক অর্থাৎ প্রথম স্তরের খাদক দ্বিতীয় ট্রফিক লেভেলের প্রতিনিধি। যেহেতু খরগোশ একটি তৃণভোজী প্রাণী অর্থাৎ উৎপাদক খেয়ে বেঁচে থাকে তাই খরগোশ বাস্তুতন্ত্রে দ্বিতীয় ট্রফিক লেভেলের প্রতিনিধিত্ব করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র : S হলো স্ত্রীস্তবক এবং 'X' চিহ্নিত অংশটি হলো ভ্রূণথলি। ভ্রূণথলির ভিতরে ডিম্বাণু বা স্ত্রীগ্যামেটোফাইট এর উৎপন্নের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
ভূণপোষক কলায় ডিম্বকরন্দ্রের কাছাকাছি একটি কোষ আকারে ভূণপোষক কলায় ডিম্বকরন্দ্রের কাছাকাছি একটি কোষ আকারে সামান্য বড়ো হয়। এর প্রোটোপ্লাজম ঘন এবং নিউক্লিয়াসটি তুলনামূলকভাবে বড়। এ কোষটি বিয়োজন বিভাজনের (মিয়োসিস) মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) কোষ সৃষ্টি করে। সর্বনিম্ন কোষটি ছাড়া বাকি তিনটি কোষ বিনষ্ট হয়ে যায়। সর্বনিম্ন এই বড়ো কোষটি বৃদ্ধি পেয়ে ক্রমশ ভূণথলিতে পরিণত হয়। এ কোষটির নিউক্লিয়াস হ্যাপ্লয়েড (n)। এই নিউক্লিয়াসটি বিভক্ত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। এ নিউক্লিয়াস দুটি ভূণথলির দুই মেরুতে অবস্থান নেয়। এবার এ দুটি নিউক্লিয়াসের প্রতিটি পরপর দুবার বিভক্ত হয়ে চারটি করে নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে।
এর পরবর্তী ধাপে দুই মেরু থেকে একটি করে নিউক্লিয়াস ভূণথলির কেন্দ্রস্থলে এসে পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড (2n) গৌণ নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে। দুই মেরুর নিউক্লিয়াসগুলো সামান্য সাইটোপ্লাজম সহকারে কোষের সৃষ্টি করে। ডিম্বকরন্দ্রের দিকের কোষ তিনটিকে গর্ভযন্ত্র বলে। এর মাঝের কোষটি বড়। একে ডিম্বাণু এবং অন্য কোষকে সহকারী কোষ বলা হয়। গর্ভযন্ত্রের বিপরীত দিকের কোষ তিনটিকে প্রতিপাদ কোষ বলে। এভাবেই ভ্রূণথলির গঠনপ্রক্রিয়া শেষ হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রক্রিয়া 'ক' এবং 'খ' হলো যথাক্রমে স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন। নিচে স্ব-পরাগায়ন এবং পর-
পরাগায়নের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
