A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: রাজশাহী বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

উত্তর:

অ্যাস্টার-রে হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজনের প্রো-মেটাফেজ ধাপে সেন্ট্রিওল থেকে বিচ্ছুরিত রশ্মি।

উত্তর:

লাউ এর ফুল একটি অসম্পূর্ণ ও এক লিঙ্গ ফুল। একটি আদর্শ, ফুলের পাঁচটি স্তবকের মধ্যে দুটি স্তবক (পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক) প্রজননের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্য স্তবকগুলো সরাসরি অংশ না নিলেও প্রজননে সহায়তা প্রদান করে। আদর্শ ফুলে পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে। যেমন- জবা, ধুতুরা। এর যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- লাউ, কুমড়া। লাউ-এর ফুলে পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকে বলে একে একলিঙ্গ ফুল বলে।

উত্তর:

উদ্দীপকের চিত্রে 'P' হলো পরাগধানী। পরাগধানীতে পুংগ্যামেটোফাইট সৃষ্টি হয়। পুংগ্যামেট সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে পুংগ্যামেটোফাইট বলে। নিচে পুংগ্যামেটোফাইট সৃষ্টির প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-
পরাগরেণু পুংগ্যামেটোফাইটের প্রথম কোষ। পরাগ মাতৃকোষটি (2n) মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে চারটি অপত্য পরাগ কোষ (n) সৃষ্টি করে। পূর্ণতাপ্রাপ্তির পরপর পরাগরেণু পরাগথলিতে থাকা অবস্থায়ই অঙ্কুরোদগম শুরু হয়। পরাগরেণুর কেন্দ্রিকাটি মাইটোটিক পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়।
এ বিভাজনে একটি বড় কোষ ও একটি ক্ষুদ্র কোষ সৃষ্টি হয়। বড় কোষটিকে নালিকোষ, এবং ক্ষুদ্র কোষটিকে জেনারেটিভ কোষ বলে। নালিকোষ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে পরাগনালি এবং জেনারেটিভ কোষটি বিভাজিত হয়ে দুটি পুংজননকোষ পুংগ্যামেট উৎপন্ন হয়। এভাবেই পুংগ্যামেটোফাইটে পুংজনন কোষ (পুংগ্যামেট) উৎপন্ন হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে 'M' ও 'N' দ্বারা স্বপরাগায়ন ও পর-পরাগায়ন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। এদের মধ্যে পর-পরাগায়নে বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন হলেও স্বপরাগায়নে বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন হয় না।
নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দু'টি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে।
স্ব-পরাগায়নের ফলে একই প্রজাতির নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়। তাতে বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন আসে না বলে প্রজাতিক গুণাগুণও অক্ষুন্ন থাকে। এভাবেই কোনো একটি প্রজাতির বিশুদ্ধতা বজায় থাকে।
অন্যদিকে, একই প্রজাতির দু'টি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগ সংযোগ ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে।
পর-পরাগায়নের ফলে নতুন চরিত্রের সৃষ্টি হয়, বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়, বীজ অধিক জীবনীশক্তি সম্পন্ন হয় ও নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়। দু'টি ভিন্ন গুণসম্পন্ন গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে। তাই এর ফলে যে বীজ উৎপন্ন হয় তা নতুন গুণসম্পন্ন হয়। এ বীজ থেকে যে গাছ জন্মায় তাও নতুন গুণসম্পন্ন হয়। এ কারণে এসব গাছের নতুন ভ্যারাইটির সৃষ্টি হয়।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”