নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর-
যৌন প্রজননে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলিত হওয়ার ঘটনাই নিষেক।
ধুতুরা ফুলকে উভলিঙ্গ ফুল বলা হয়। যখন কোনো ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে, তাকে উভলিঙ্গ ফুল বলে। ধুতুরা ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে। তাই একে উভলিঙ্গ ফুল বলে।
উদ্দীপকে চিত্র-A হলো HIV ভাইরাস। HIV ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ হলো এইডস। এইডস রোগের কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
১. এইডস আক্রান্ত পুরুষ বা মহিলার সাথে অনিরাপদ যৌনমিলনের মাধ্যমে এ রোগ হয়।
২. এইডস রোগে আক্রান্ত রোগীর রক্ত সুস্থ ব্যক্তির দেহে সঞ্চালন করলে এইডস রোগ হয়।
৩. আক্রান্ত মায়ের গর্ভের সন্তান এইডস রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এ রোগে আক্রান্ত মায়ের দুধ শিশু পান করলে সে শিশুও এইডসে আক্রান্ত হতে পারে।
8. HIV জীবাণুযুক্ত ইনজেকশনের সিরিঞ্জ, সূচ, দন্ত চিকিৎসার যন্ত্রপাতি এবং অপারেশনের যন্ত্রপাতির ব্যবহারের মাধ্যমেও সুস্থ ব্যক্তি, এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
৫. এইডসে আক্রান্ত ব্যক্তির কোনো অঙ্গ অন্য ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করলে এ রোগ সংক্রমিত হয়।
উদ্দীপকের চিত্র-B তে X ও Y চিহ্নিত অংশ দুটি হলো যথাক্রমে পরাগধানী ও গর্ভাশয়। এরা সরাসরি জনন কাজে অংশগ্রহণ করে উদ্ভিদের বংশবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
উদ্ভিদের জনন কাজে ফুলের পরাগধানী ও গর্ভাশয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফুলের এ দুটি অংশ ছাড়া উদ্ভিদ জননকার্য সম্পন্ন করতে পারে না। কারণ প্রজননের পূর্বশত হলো নিষেক প্রক্রিয়া আর নিষেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার জন্য অবশ্যই পুংজনন কোষ ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ফুলের পরাগধানীতে তৈরি পরাগরেণুর অভ্যন্তরে তৈরি হয় পুংজনন কোষ। অন্যদিকে ফুলের গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে স্ত্রীজননকোষ অর্থাৎ ডিম্বাণু তৈরি হয়। ফুলে পরাগায়নের ফলে পুংজনন কোষ ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে নিষেক ঘটায়। নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া শেষে ফল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ প্রক্রিয়ায় গর্ভাশয় ধীরে ধীরে ফলে এবং ডিম্বকগুলো বীজে পরিণত হয়। এরপর পরিপক্ব ফল থেকে বীজ সংগ্রহ করে সেগুলো বপন করলে নতুন চারা উদ্ভিদের জন্ম হয় এবং উদ্ভিদের বংশবিস্তার ঘটে। অতএব পুংস্তবকের পরাগধানী ও স্ত্রীস্তবকের ডিম্বকের পারস্পরিক সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশবিস্তার অব্যাহত থাকে।
