A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ – সমন্বয়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

প্রায় ৮ সপ্তাহ বয়স্ক ভূণই হলো ফিটাস।

উত্তর:

বৃক্ক মূত্র সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের দেহ থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে। অমরা মাতৃ জরায়ুতে ক্রমবর্ধমান ভ্রূণ এবং মাতৃ-জরায়ু টিস্যুর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত করে। এই অমরার মাধ্যমে বিপাকের ফলে সৃষ্ট বর্জ্য পদার্থ ভূণদেহ থেকে অপসারিত হয়, যা বৃক্কের কাজের অনুরূপ। এ জন্যই বলা হয়, অমরা মানবদেহের রেচন অঙ্গ তথা বৃক্কের মতো কাজ করে।

উত্তর:

উদ্দীপকে বর্ণিত ১ হলো মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কের প্রথম অংশটি হলো অগ্রমস্তিষ্ক। অগ্রমস্তিষ্কের গঠন ও কাজ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
অগ্রমস্তিষ্কের গঠন : মস্তিষ্কের মধ্যে অগ্রমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম সবচেয়ে বড় অংশ। সেরিব্রামের ডান ও বাম অংশ দুটি অসম্পূর্ণভাবে বিভক্ত। দুটি অংশের মাঝখানে বিভেদক খাঁজ থাকায় এ বিভক্তি ঘটে। এদের সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলা হয়। বাম সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার দেহের ডান অংশ এবং ডান সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের এ অংশটির উপরিভাগ ঢেউ তোলা। মানুষের দেহের সেরিব্রামের বাম অংশ তুলনামূলকভাবে বেশি উন্নত। সেরিব্রামকে গুরুমস্তিষ্ক বলা হয়। এটি মেনিনজাইটিস নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। এর বাইরের স্তরের নাম কর্টেক্স। কর্টেক্স আবার অসংখ্য নিউরন দ্বারা গঠিত। এর রং ধূসর। তাই কর্টেক্সের অপর নাম গ্রে ম্যাটার, যা মেরুদণ্ডের ভিতর আন্তঃযোগাযোগ রক্ষা করে। আবার সেরিব্রামের ভিতরের স্তরে স্নায়ুতন্ত্র থাকে। স্নায়ুতন্ত্রের রং সাদা। এ স্তরের নাম শ্বেত পদার্থ। শ্বেত পদার্থ মেরুরজ্জুর উপরে ও নিচে স্নায়ু তাড়না বহন করে। 
অগ্রমস্তিষ্কের কাজ : অগ্রমস্তিষ্ক হলো প্রত্যেক অঙ্গ থেকে স্নায়ুতাড়না গ্রহণের এবং প্রত্যেক অঙ্গে স্নায়ুতাড়না প্রেরণের উচ্চতর কেন্দ্র। দেহ সঞ্চালন, তথা প্রত্যেক কাজ ও অনুভূতির কেন্দ্র হলো সেরিব্রাম। এটি আমাদের চিন্তা, চেতনা, জ্ঞান, স্মৃতি, ইচ্ছা, বাকশক্তি ও ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে, কোন উদ্দীপকের প্রতি কী ধরনের সাড়া দিবে, সে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। সকল প্রাণীর মধ্যে মানুষের অগ্রমস্তিষ্কের বিবর্তন সর্বাধিক অগ্রগামী এবং সবচেয়ে বিকশিত।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত T দ্বারা সুষুম্নাকাণ্ডকে বোঝানো হয়েছে। সুষুম্নাকাণ্ড দ্বারা পরিচালিত হয় প্রতিবর্তী ক্রিয়া। নিচে এর কার্যপ্রণালি ব্যাখ্যা করা হলো-
প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলতে উদ্দীপনার আকস্মিকতা ও স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়াকে বোঝায়। যেমন- জামা সেলাই করার সময় আঙুলে সুঁই ফুটলে তাৎক্ষণিকভাবে হাত অন্যত্র সরে যায়। এটি একটি প্রতিবর্তী ক্রিয়া। এ ক্রিয়াটি যেভাবে ব্যাখ্যা করা যায় তা হলো আঙুলে সুচ ফুটার সময় আঙুলের ত্বকে অবস্থিত সংবেদী নিউরনের ডেনড্রাইটসমূহ ব্যথার উদ্দীপনা গ্রহণ করে। এখানে ত্বক গ্রাহক অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। আঙুলের ত্বক থেকে এ উদ্দীপনা সংবেদী নিউরনের অ্যাক্সনের মাধ্যমে স্নায়ুকাণ্ডের ধূসর অংশে পৌঁছায়। স্নায়ুকাণ্ডের ধূসর অংশে অবস্থিত সংবেদী নিউরনের অ্যাক্সন থেকে তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে উদ্দীপনা মোটর বা আজ্ঞাবাহী স্নায়ুর ডেনড্রাইটে প্রবেশ করে। সংবেদী স্নায়ুর অ্যাক্সন ও আজ্ঞাবাহী স্নায়ুর ডেনড্রাইটের মধ্যবর্তী সিন্যাপসের মধ্য দিয়ে এ উদ্দীপনা পেশিতে প্রবেশ করে। মোটর বা আজ্ঞাবাহী স্নায়ুর নিউরনের ডেনড্রাইট থেকে উদ্দীপনা পেশিতে পৌঁছালে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের নির্দেশে পেশির সংকোচন ঘটে। ফলে উদ্দীপনাস্থল থেকে হাত দ্রুত আপনা আপনি সরে যায়।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ – সমন্বয়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”