মি. সজল ফ্যাক্টরিতে কাজ করার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। অল্প সময়ের মধ্যে তার ঘাড় শক্ত হয়ে যায় এবং মুখমণ্ডল লাল হয়ে যায়। তার ভাই রবিন জর্দা দিয়ে পান খায় এবং কিছুক্ষণ পর পর জর্দাসহ পান না খেলে কাজে মনোযোগ হারায়।
শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াই হলো ভার্নালাইজেশন।
থাইরয়েডকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয়। কারণ, এই গ্রন্থি নালিকাবিহীন। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোন সরাসরি রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে বাহিত হয়ে দূরবর্তী সুনির্দিষ্ট অঙ্গে ক্রিয়াশীল হয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত লক্ষণগুলো থেকে বোঝা যায় মি. সজলের স্ট্রোক হয়েছে। নিচে স্ট্রোকের কারণ ও লক্ষণ বর্ণনা করা হলো-
কারণ : সাধারণত ধমনিগাত্র শক্ত হয়ে যাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ তথা স্ট্রোক হয়ে থাকে। অনেক সময় অত্যধিক স্নায়বিক চাপ যেমন- উত্তেজনা বা অধিক পরিশ্রমের কারণে এরূপ রক্তক্ষরণ হয়।
লক্ষণগুলো হলো : বমি হয়, প্রচণ্ড মাথাব্যথা হয়, কয়েক মিনিটের মধ্যে রোগী সংজ্ঞা হারায়, ঘাড় শক্ত হয়ে যেতে পারে, মাংসপেশি শিথিল হয়ে যায়, শ্বসন এবং নাড়ির স্পন্দন কমে যায়, মুখমণ্ডল লাল বর্ণ ধারণ করে। অনেক সময় অবশ্য খুব মারাত্মক উপসর্গ ছাড়াই শুধু মুখ বেঁকে যাওয়া বা অল্প সময়ের জন্য অজ্ঞান হয়ে গিয়ে আবার জ্ঞান ফিরে আসা।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রবিনের লক্ষণ থেকে বোঝা যায় রবিন মাদকাসক্ত। রবিনের গৃহীত উপাদানটির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে চাইলে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে বলে আমি মনে করি। নিচে যুক্তিসহ আমার মতামত উল্লেখ করা হলো-
i. সুসম্পর্ক বজায় রাখা : মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে পরিবারকে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে মাদকাসক্ত ব্যক্তির সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
ii. নৈতিক শিক্ষার প্রসার : নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অনেকে মাদকাসক্ত হয়ে পড়তে পারে। তাই নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের পর্যাপ্ত প্রসার ঘটাতে হবে। প্রয়োজনে কিশোর-কিশোরীদের এই শিক্ষা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
iii. বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বেকারত্ব থেকে অনেকেই হতাশায় ভোগে। পরবর্তীতে হতাশা কাটাতে মাদকদ্রব্য গ্রহণ করতে শুরু করে। বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারলে মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
iv. বন্ধু নির্বাচনে সচেতন হওয়া : অসৎ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে অনেকে মাদকদ্রব্য গ্রহণে আকৃষ্ট হয়ে উঠে। তাই অসৎ বন্ধুবান্ধব থেকে দূরে থাকতে হবে এবং তাদেরকে মাদকদ্রব্য গ্রহণে নিরুৎসাহিত করতে হবে।
V. সচেতনতা বৃদ্ধি : মাদকদ্রব্য আমাদের শরীরে অনেক ক্ষতিসাধন করে। এর কুফল সম্পর্কে সমাজের সকলকে অবহিত করতে হবে। প্রয়োজনে লিফলেট, পোস্টার ইত্যাদি বিতরণ করা যেতে পারে।
এছাড়াও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সহায়তায় মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এমনকি মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সহানুভূতির সাথে ধৈর্য সহকারে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে পারলেও এর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।
