A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৩ – রেচন প্রক্রিয়া, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: রাজশাহী বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুলের অঙ্কীয়দেশ থেকে সংগ্রাহী নালি পর্যন্ত বিস্তৃত চওড়া নালিকাটিকে রেনাল টিউব্যুল বলে।

উত্তর:

একটি পরিবেশে একই জীবকে টিকে থাকতে হলে তাকে অবশ্যই সে পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হতে হবে। প্রতিকূল পরিবেশ জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে। জীবকে তার অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্য প্রতিকূল পরিবেশের সাথে সংগ্রাম করতে হয়। যে প্রাণীগুলো এই পরিবেশে টিকে থাকতে পারে, তারা বেঁচে থাকে এবং অন্যরা বিলুপ্ত হয়ে যায়। যেমন: উত্তর এবং আমেরিকার কোয়েল পাখি প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তুষারপাত পরিবেশে অভিযোজিত হতে না পারায় তারা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আবার মরুজ উদ্ভিদ বেঁচে থাকার তাগিদে পানি সংরক্ষণ কৌশল শিখে নিয়েছে এবং এরাই আগামীতে টিকে থাকবে। কারণ তারা এ পরিবেশের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পেরেছে।

উত্তর:

উদ্দীপকে A দ্বারা বৃক্ককে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে বৃক্কের গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
মানবদেহের উদরগহ্বরের পেছনের অংশে, মেরুদণ্ডের দু'দিকে বক্ষপিঞ্জরের নিচে পৃষ্ঠপ্রাচীর সংলগ্ন অবস্থায় দুটি বৃক্ক অবস্থান করে। প্রতিটি বৃক্কের আকৃতি শিমবিচির মতো এবং রং লালচে হয়। বৃক্কের বাইরের পার্শ্ব উত্তল ও ভিতরের পার্শ্ব অবতল হয়। অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাস বা হাইলাম বলে। হাইলামের ভিতর থেকে ইউরেটার ও রেনাল শিরা বের হয় বেং রেনাল ধমনি বৃক্কে প্রবেশ করে। দুটি বৃক্ক থেকে দুটি ইউরেটার বের হয়ে মূত্রাশয়ে প্রবেশ করে। ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশকে পেলভিস বলে। বৃক্ক সম্পূর্ণরূপে এক ধরনের তনুময় আবরণ দিয়ে বেষ্টিত থাকে, একে রেনাল ক্যাপসুল বলে। ক্যাপসুল সংলগ্ন অংশকে কর্টেক্স এবং ভেতরের অংশকে মেডুলা বলে। উভয় অঞ্চলই যোজক কলা এবং রক্তবাহী নালি দিয়ে গঠিত। মেডুলায় সাধারণত ৮-১২টি রেনাল পিরামিড থাকে। এদের অগ্রভাগ প্রসারিত হয়ে রেনাল প্যাপিলা গঠন করে। এসব প্যাপিলা সরাসরি পেলভিসে উন্মুক্ত হয়।
প্রতিটি বৃক্কে বিশেষ এ ধরনের নালিকা থাকে যাকে ইউরিনিফেরাস নালিকা বলে। প্রতিটি ইউরিনিফেরাস নালিকা দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত, যথা- নেফ্রন ও সংগ্রাহী নালিকা। নেফ্রন মূত্র তৈরি করে আর সংগ্রাহী নালিকা রেনাল পেলভিসে মূত্র বহন করে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো মানবদেহের রেচন অঙ্গ বৃক্ক। রেচন মানবদেহের একটি জৈবিক প্রক্রিযা, যার মাধ্যমে দেহে বিপাক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলো নিষ্কাশিত হয়। বৃক্ক, ইউরেটার, মূত্রথলি এবং মূত্রনালি রেচনতন্ত্র গঠন করে। রেচনতন্ত্র দেহ থেকে অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে। রেচন পদার্থসহ রক্ত রেনাল ধমনির মাধ্যমে সংবহিত হয়ে রেনাল অ্যাফারেন্ট আর্টারিওল দিয়ে গ্লোমেরুলাসে প্রবেশ করে। বিশেষ প্রক্রিয়ায় রক্তের রক্তকণিকা ও প্লাজমা ছাড়া বাকি অংশ পরিস্তুত হয়ে রেনাল ক্যাপসুল গহ্বরে পতিত হয়। সেখান থেকে পতিত তরল নেফ্রনের বিভিন্ন নালিকাতে প্রবাহিত হয়। বৃক্কস্থিত নেফ্রন একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রমাগতভাবে মূত্র উৎপন্ন করে। এ সময় দেহের প্রয়োজনীয় উপাদান ফিলট্রেট থেকে পুনঃশোষিত হয়। উৎপন্ন মূত্র সংগ্রাহী নালিকার মাধ্যমে বৃক্কের পেলভিসে পৌঁছায়। পেলভিস থেকে মূত্র ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশ বেয়ে ইউরেটারে প্রবেশ করে। ইউরেটার থেকে মূত্র মূত্রথলিতে আসে এবং সাময়িকভাবে জমা থাকে। মূত্রথলি মূত্র দ্বারা পরিপূর্ণ হলে মূত্রত্যাগের ইচ্ছা জাগে এবং মূত্রথলির নিচের দিকে অবস্থিত ছিদ্রপথে দেহের বাইরে বেরিয়ে আসে। এভাবে বৃক্ক মানবদেহ থেকে ক্ষতিকর নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে।
উপরিউক্ত বর্ণনা থেকে বলা যায় যে, উদ্দীপকের অঙ্গ বা বৃক্ক মানবদেহ থেকে ক্ষতিকর নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৩ – রেচন প্রক্রিয়া, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”