A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – গ্যাসীয় বিনিময়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

মানুষের স্বরযন্ত্রের দুই ধারে অবস্থিত পেশিগুলোই হলো ভোকাল কর্ড।

উত্তর:

মধ্যচ্ছদা প্রশ্বাস গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি দেখতে অনেকটা প্রসারিত ছাতার মতো। প্রশ্বাসের সময় এটি সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নেমে এসে বক্ষগহ্বরের আয়তন বাড়িয়ে দেয়। ফলে বায়ু ফুসফুসের ভিতরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে নিঃশ্বাসের সময় এটি প্রসারিত হয়ে উপরের দিকে উঠে আসে এবং বক্ষ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। ফলে বায়ু ফুসফুস থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে এভাবে মধ্যচ্ছদা আমাদের শ্বসনে সাহায্য করে।

উত্তর:

উদ্দীপকের 'M' রোগটি হলো ফুসফুসের অ্যাজমা বা হাঁপানি। নিচে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগের কারণ ও লক্ষণ বর্ণনা করা হলো-
কারণ : যেসব খাবার খেলে এলার্জি হয় (চিংড়ি, গরুর মাংস, ইলিশ মাছ ইত্যাদি), বায়ুর সাথে ধোঁয়া, ধুলাবালি, ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করলে হাঁপানি হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্দি কাশি থেকে হাঁপানি হওয়ার আশংকা থাকে। বছরের বিশেষ ঋতুতে বা ঋতু পরিবর্তনের সময় এ রোগ বেড়ে যেতে পারে।
লক্ষণ :
● হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়।
● শ্বাসকষ্টে দম বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়, ঠোঁট নীল হয়ে যায়, গলার শিরা ফুলে যায়।
● রোগী জোরে জোরে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করে, এ সময বুকের ভিতর সাঁই সাঁই আওয়াজ হয়।
● ফুসফুসের বায়ুথলিতে ঠিকমতো অক্সিজেন সরবরাহ হয় না বা বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে রোগীর বেশি কষ্ট হয়।
● কাশির সাথে কখনো কখনো সাদা কফ বের হয়।
● সাধারণত জ্বর থাকে না।
● শ্বাস নেওযার সময় রোগীর পাঁজরের মাঝে চামড়া ভিতরের দিকে ঢুকে যায়।
● রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে।

উত্তর:

উদ্দীপকের M ও N রোগ দুটি হলো যথাক্রমে হাঁপানি ও যক্ষ্মা। হাঁপানি ও যক্ষ্মার মধ্যে যক্ষ্মা সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। কারণটি নিচে যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
Mycobacterium tuberculosis নামক জীবাণুর সংক্রমণে যক্ষ্মা হয়।
জীবাণুগুলো এক্স-রে দ্বারা শনাক্ত করা যায়। এটি এক প্রকার বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। ডাক্তারের পরামর্শ মতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিলে অথবা যক্ষ্মা প্রতিষেধক বিসিজি টিকা নিলেই যক্ষ্মা ভালো করা সম্ভব অর্থাৎ নিরাময়যোগ্য। অন্যদিকে ভাইরাসের আক্রমণে বা ধূমপানের কারণে বা দীর্ঘদিনের সর্দিকাশি থেকে হাঁপানির সৃষ্টি হয়। বছরের বিশেষ ঋতুতে এ রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। হাঁপানি আক্রান্ত ব্যক্তি কষ্ট লাঘবের জন্য সবসময় ঔষধ সাথে রাখে কিন্তু সম্পূর্ণরূপে নিরাময় করতে পারে না।
তাই আলোচনা থেকে বলা যায়, রোগ N অর্থাৎ যক্ষ্মা সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য হলেও রোগ M হাঁপানি নিরাময়যোগ্য নয়।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – গ্যাসীয় বিনিময়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”