A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – গ্যাসীয় বিনিময়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

মানবদেহের বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বর পৃথককারী পেশিবহুল পর্দাই হলো মধ্যচ্ছদা।

উত্তর:

কচি কাণ্ড ও পাতার ত্বকে বিশেষ আকৃতির রক্ষীকোষ দ্বারা বেষ্টিত অতিক্ষুদ্র ছিদ্রকে বলা হয় স্টোমাটা। স্টোমাটা উদ্ভিদদেহ ও পরিবেশের মধ্যে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটায়। এটি প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের করে দেয়। তাই উদ্ভিদদেহে স্টোমাটা গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর:

উদ্দীপকের শ্বসনে 'F' চিত্রের 'A' অংশটি হলো ফুসফুস। নিচে ফুসফুসের গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
ফুসফুস শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। বক্ষগহ্বরের ভিতর হৃৎপিণ্ডের দুই পাশে দুটি ফুসফুস অবস্থিত। এটি স্পঞ্জের মতো নরম এবং কোমল ও হালকা লালচে রঙের। ডান ফুসফুস তিন খণ্ডে এবং বাম ফুসফুস দুই খণ্ডে বিভক্ত। ফুসফুস দুই ভাঁজবিশিষ্ট প্লুরা নামক পর্দা দ্বারা আবৃত। ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুথলি বা বায়ুকোষ, সূক্ষ্ম শ্বাসনালি ও রক্তনালি থাকে। বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাসগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুক্লোম শাখাপ্রান্তে মৌচাকের মতো অবস্থিত। নাসাপথ দিয়ে বায়ু সরাসরি বায়ুথলিতে যাতায়াত করতে পারে। বায়ুথলি, পাতলা আবরণী দ্বারা আবৃত এবং প্রতিটি বায়ুথলি কৈশিকনালিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত। বায়ুথলির গঠন এরূপ যে এতে বায়ু প্রবেশ করলে এগুলো বেলুনের মতো ফুলে ওঠে ও পরে আপনা আপনি সংকুচিত হয়। আবার বায়ুথলি ও কৈশিকনালিকার গাত্র এতই পাতলা যে এর ভেতর দিয়ে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে।

উত্তর:

উদ্দীপকের চিত্র M ও N হলো মানবদেহের শ্বসনতন্ত্রের শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাস ত্যাগ প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে O₂ গ্রহণ ও CO₂ ত্যাগ ঘটে থাকে। এর কার্যক্রম সঠিকভাবে না ঘটলে মানবদেহে নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো শ্বসনতন্ত্রটি পরিবেশের সাথে মানবদেহের সম্পর্ক স্থাপন করে। এ তন্ত্রের মাধ্যমে প্রাণী O₂ গ্রহণ করে এবং CO₂ ত্যাগ করে। CO₂ দেহকোষে উৎপন্ন হয়। এই CO₂ প্রথমে কোষ আবরণ ভেদ করে লসিকাতে প্রবেশ করে। লসিকা থেকে কৈশিক নালির প্রাচীর ভেদ করে CO₂ কৈশিকনালিতে এবং সেখান থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলাসে পৌঁছায়। অ্যালভিওলাস থেকে এই CO₂ শ্বাস ত্যাগের সময় দেহ থেকে বাইরে নির্গত হয়। আবার, শ্বাস গ্রহণের সময় নাসাপথের ভিতর দিয়ে পরিবেশ থেকে O₂ ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং ফুসফুসের অ্যালভিওলাস থেকে O₂ রক্তের মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে প্রবেশ করে। কেষের ভেতরে গিয়ে O₂ শর্করা জাতীয় খাদ্যের জারণ ঘটায় এবং শক্তি উৎপন্ন করে। এ শক্তি জীবদেহের যাবতীয় কাজে ব্যবহৃত হয়। শ্বসন প্রক্রিয়ায় জীবদেহের প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায়। যদি এই কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে সংঘটিত না হয়, তাহলে মানবদেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হবে না। ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। শরীর দুর্বল হলে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করা বিভিন্ন ক্ষতিকর অণুজীবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পারবে না যা বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টি করার সম্ভাবনা তৈরি করবে। এতে দেহের স্বাভাবিক কার্যকলাপ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
তাই বলা যায় যে, চিত্রের কার্যক্রম দুটি সঠিকভাবে না ঘটলে মানবদেহ দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – গ্যাসীয় বিনিময়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”