A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মি: জামান দীর্ঘদিন…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – গ্যাসীয় বিনিময়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

মি: জামান দীর্ঘদিন ধরে খুসখুসে কাশি ও বুকে ব্যথায় ভুগছেন। তার কথা বলার সময় ভগ্নম্বর লক্ষ্য করা যায়।

উত্তর:

উপজিহ্বা: স্বরযন্ত্রের উপরে একটি জিহ্বা আকৃতির ঢাকনা রয়েছে একে উপজিহ্বা বলে।

উত্তর:

রাতের বেলা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে বলে অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় না। অন্যদিকে দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টাই শ্বসন প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়, ফলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের উৎপাদন চলতে থাকে। এই কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস পাতার স্টোমাটার মাধ্যমে পরিবেশে বের হয়ে যায়। পরিণত কাণ্ডের বাকলে যে লেন্টিসেল তৈরি হয় তার মাধ্যমেও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস পরিবেশে নির্গত হয়। গাছ যত বড় হবে CO₂ উৎপন্নের পরিমাণও বেশি হবে। এ জন্য বড় গাছের নিচে রাত্রিবেলা ঘুমালে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

উত্তর:

উদ্দীপকের উল্লেখিত রোগটি হলো ফুসফুসের ক্যান্সার। রোগটি দ্বারা আক্রান্ত অঙ্গ হলো ফুসফুস। নিম্নে এর গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
ফুসফুস শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। মানবদেহে বক্ষগহ্বরের ভিতর *হৃৎপিন্ডের দুই পাশে দুটি ফুসফুস অবস্থিত। এটি স্পঞ্জের মতো নরম ও কোমল, হালকা লালচে রঙের। ডান ফুসফুস তিন খন্ডে এবং বাম ফুসফুস দুই খন্ডে বিভক্ত। ফুসফুস দুই ভাঁজ বিশিষ্ট পুরা নামক পর্দা দ্বারা আবৃত। দুই ভাঁজের মধ্যে এক প্রকার রস নির্গত হয়। ফলে শ্বাসক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোনো ঘর্ষণ লাগে না। ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুথলি বা বায়ুকোষ, সূক্ষ্ম শ্বাসনালি ও রক্তনালি থাকে। বায়ুথলিগুলো হলো অ্যালভিওলাস। বায়ুথলিগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুক্লোম শাখাপ্রান্তে মৌচাকের মতো অবস্থিত। নাসাপথ দিয়ে বায়ু সরাসরি বায়ুথলিতে যাতায়াত করতে পারে। বায়ুথলি পাতলা আবরণী দিয়ে আবৃত এবং প্রতিটি বায়ুথলি কৈশিকনালিকা দিয়ে পরিবেষ্টিত। বায়ু প্রবেশ করলে এগুলো বেলুনের মতো ফুলে ওঠে এবং পরে আপনা-আপনি সংকুচিত হয়। বায়ুথলি ও কৈশিক নালিকার গাত্র এত পাতলা যে এর ভিতর দিয়ে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে।

উত্তর:

উদ্দীপকের মি. জামানের আক্রান্ত রোগটি হলো ফুসফুসের ক্যান্সার। সবধরনের ক্যান্সারের মধ্যে ফুসফুস ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি। ফুসফুস ক্যান্সারের অন্যতম কারণ ধূমপান। নিচে রোগটির প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো:
প্রতিকার:
i. রোগের লক্ষণগুলো দেখা গেলে অনতিবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।
ii. রোগ নির্ণয়ের পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
iii. প্রয়োজনে 'রেডিয়েশন থেরাপি প্রয়োগ করা, যেখানে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।

প্রতিরোধ: বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যান্সার প্রতিরোধে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, যথা:
i. ধূমপান ও মদ্যপান না করা।
ii. অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাদ্য না খাওয়া।
iii. নিয়মিত ব্যায়াম করা।
iv. পরিমাণ মতো শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মি: জামান দীর্ঘদিন…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – গ্যাসীয় বিনিময়, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”